ঢাকা, সোমবার 30 July 2018, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৬ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

হেপাটাইটিস প্রতিরোধে সচেতন হতে হবে -অধ্যাপক আনিসুজ্জামান

স্টাফ রিপোর্টার : হেপাটাইটিস প্রতিরোধে দেশের সবাইকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। একই সঙ্গে রোগটি সম্পর্কে যারা সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলার চেষ্টা করছেন তাদেরকেও সাধুবাদ জানিয়েছেন তিনি। গতকাল রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ফোরাম ফর দ্যা স্টাডি অব দ্যা লিভার বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠন এই সেমিনারের আয়োজন করে। বিএসএমএমইউ’র প্রফেসর ড. হারিসুল হকের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্রেকটিশনারিস এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর ড. মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদিকা ড. রোকেয়া সুলতানা প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘রোগটি সম্পর্কে আমাদের সচেনতনতার অভাব। অমরা হয়তো সচেতন নই। জন্ডিসে যখন প্রথম আক্রান্ত হয়, তখনই এটি নিরাময় করা সম্ভব। কিন্তু হেপাটাইটিস বি পর্যায়ে যখন চলে যায়, তখন আর চেষ্টা করা যায়না।’ তিনি বলেন, ‘যে ঔষধ ৪২ বছর আগে আবিষ্কার হয়েছে, আমাদের দেশে মানুষের সে সম্পর্কে জানা খুব কম। এটা কী রকম ব্যায়ের তাও বোধহয় আমরা জানি না। আমাদের দেশে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যায় বহনের যে সাধ্য, সেটা খুব বেশি নয়। কাজেই এ রকম রোগে অনেকেই বিনা চিকিৎসায় মারা যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করবো ‘লিভার সোসাইটি’ তাদের চেষ্টায় মানুষকে সচেতন করা সম্ভব হবে এবং এই সচেতনার ফলে এ রোগের চিকিৎসা যথাসময়ে নেয়া যেতে পারে এবং এ রোগে মৃত্যুহার কমানো যেতে পারে। এ উদ্যোগ যারা নেবেন আমি তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। তারা দেশের জন্য যে একটি মহৎ কাজ করছেন এবং এই কাজ যেন সম্পূর্ণ সফল ও স্বার্থক হয়। সম্প্রীতি বাংলাদেশে’র কনভেনার নাট্যব্যক্তিত্ব পীযুষ বন্দোপাধ্যায বলেন, ‘লিভার সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে। হেপাটাইটিস সম্পর্কে আমাদের সবার সচেতন হওয়া উচিৎ। বক্তারা বলেন, এসডিজির একটি লক্ষ্য হেপাটাইটিস বি ও সি নির্মূল করা। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অবশ্যই হেপাটাইটিস মুক্ত হবে বলে প্রত্যাশা করি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ