ঢাকা, সোমবার 30 July 2018, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৬ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সরিষাবাড়ীতে লেয়ার-ব্রয়লার খামারের বর্জ্যরে দুর্গন্ধে জনজীবন বিপর্যস্ত

লেয়ার ব্রয়লার খামারের বর্জ্য -সংগ্রাম

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে  লেয়ার ও বয়লার খামারের বর্জের দূর্গন্ধে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে । পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রাণী সম্পদ অফিসের অনুমোদন ক্রমে এসব খামার গড়ে ওঠলেও তাদের কোন নিয়ম কানুন তোয়াক্কা নাে করে খামারের ওই সব বর্জে ফসলি ও পতিত জমিতে ফেলছে। ফলে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের ফসল ও ফসলি জমি। বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি সরিষাবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়র মানুষের।
এ উপজেলার পোগলদিঘা ও ডোয়াইল ইউনিয় এবং পৌরসভায় সবচেয়ে বেশী খামারী রয়েছে। এসব এলাকার খামারীদের বর্জ ফেলার নেই কোনো আধুনিক ব্যবস্থা।  এসব এলাকার মানুষজন পরিবেশ দূষণের মারাত্মক হুমকিতে রয়েছে। এতে দূষিত বাতাসে শ্বাস- প্রশ্বাসজনিত সমস্যাসহ নানা রোগে আক্রান্ত  হচ্ছে এলাকাবাসী।একই  সঙ্গে আবাদি জমি চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বায়ূ ও পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে  রোগে আক্রান্ত হচ্ছে স্থানীয় এলাকাবাসী।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সরিষাবাড়ী  উপেেজলায় লেয়ার খামার ২২৩টি, বয়লার ২০১টি  , হাসের খামার ৭৮টি  রয়েছে। খামারিরা ওই বর্জ ব্যবস্থাপনায় অনাগ্র লক্ষ্য করা গেছে। মুরগির  বিষ্ঠা মাটিচাপা দেয়ার কথা থাকলেও তারা ইচ্ছে করেই রাস্তার পার্শ্বে ফেলে রাখেন।  ফলে হাজার হাজার পথচারী ও ্ এলাকার মানুষ দূর্গন্ধ নিয়ে জীবন যাপন করছেন।
এছাড়া ফার্মের ডিমের খোসা, নষ্ট ডিম, মরা মুরগি ও ডেসিং করা মুরগির বর্জ রাখা হচ্ছে জন বসতিপূর্ণ এলাকায়। খামারের  পার্শ্বে ফেলা হচ্ছে  বর্জ্য।  ফেলা হচ্ছে মরা মুরগি ও ডিম।  এসব  দুর্গন্ধ পচা পানি আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পথচারীদের। এছাড়া পচা বর্জ পানিতে মিশে ছড়িয়ে পড়ছে পার্শ¦বর্তী কৃষি জমিতে।  ফলে স্থানীয় কৃষকরা দূষিত পানির কারণে চর্মরোগ আক্রান্তসহ নষ্ট হচ্ছে রোপন করা ফসল।  অনেকেই বাধ্য হয়ে ফসল  বন্ধ করে দিয়েছেন।  একই ভাবে চলছে উপজেলার সবকটি লেয়ার ও বয়লার পোল্ট্রি খামার গুলো।
পরিবেশ অধিদপ্তর ময়মনসিং, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোনার উপ-পরিচালক মো.   নুরুল আলম বলেন, পোল্ট্রির বর্জে পরিবেশ দূষনের লিখিত অভিযোগ পেলে ভ্রম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ