ঢাকা, সোমবার 30 July 2018, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৬ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ইম্প্যাক্ট পদ্ধতিতে বায়োগ্যাস উৎপাদন করে সফলতা অর্জন করেছে খামারী লাল মিয়া

মেলান্দহে ইম্প্যাক্ট পদ্ধতিতে বায়োগ্যাস উৎপাদনে সফলতা অর্জন করেছেন ছবিলাপুর নাগেরপাড়ার মুরগীর খামারী লাল মিয়া মিলিটারী। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর পরিচালিত দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রযুক্তি নির্ভর সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা  ইম্প্যাক্ট পদ্ধতিতে বায়োগ্যাস উৎপাদন করছে। এ পদ্ধতিতে বিরতিহীনভাবে ১০টি ইলেক্ট্রিক্যাল ফ্যান, ২০টি লাইটসহ টিভি-ফ্রিজ ও রান্নার কাজ চালানো যায়।  আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে মুরগীর বিস্টা থেকে উৎপাদিত গ্যাস পরিবেশ বান্ধব এবং সাশ্রয়ী। বিস্টার পরিত্যাক্ত রিসিডিও মাছের উত্তম খাবার এবং জমির উর্বরতা শক্তির চাহিদা মেটায়। বায়োগ্যাস পদ্ধতি জেলায় এটিই প্রথম।  লাল মিয়া ২০০২ সালে সেনাবাহিনী  থেকে অবসরে আসেন। গাজীপুরের এক আর্মি সার্জেন্ট বেলালের কাছে থেকে মুরগী ফার্ম করার সিদ্বান্ত নেন।১০ মার্চ/১৬ থেকে ১হাজার ২৫টি মুরগীর বাচ্চা দিয়ে খামারের যাত্রা শুর  করেন। বর্তমানে ৯’শ ৫০টি মুরগী আছে। এতে মাসিক খরচ হয় ৫লাখ টাকা। প্রতিমাসে প্রায় ১’শ লিটার ডিজেল বিদ্যুৎ খরচ হতো প্রায় ২০ হাজার টাকা। ইম্পট পদ্ধতি ব্যবহারে শুধু শ্যালে চালু করতে যা খরচ হয় মাত্র ২৫০ গ্রাম ডিজেল। বিদ্যুৎ বিল আসে নামমাত্র। রান্নায় জালানী লাগতো ৪/৫ হাজার টাকা। ইম্পট পদ্ধতি ব্যবহারে খামার এবং রান্না- টিভি- ফ্রিজের বৈদ্যূতিক চাহিদা  মেটানোর পর প্রতিবেশীদের রান্নার কাজে ফ্রি-গ্যাস ব্যবহার করতে দেয়া হচ্ছে। ইচ্ছে করলে মুরগীর খামারের চাহিদা মেটানোর পর বাইরেও বিক্রি করা যাবে। বর্তমানে খামারের মুরগীগুলো ৪/৫ মাস যাবৎ ডিম দিচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় ৯শ’ ডিম বিক্র হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার টাকা। মাসে ডিম বিক্রি হচ্ছে ১লাখ ২০ হাজার টাকা। এখন সকল প্রতিকূলতা পেরিয়ে আর্থিক সফলতার মুখ দেখছি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ