ঢাকা, মঙ্গলবার 31 July 2018, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৭ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ফিলিস্তিনী প্রতিরোধের প্রতীক তামিমিকে এরদোগানের অভিনন্দন

মুক্তির পর সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ফিলিস্তিনীর বীর কন্যা আহের তামিমি

৩০ জুলাই, আনাদলু এজেন্সি : সদ্য কারামুক্ত ফিলিস্তিনী প্রতিরোধের প্রতীক আহেদ তামিমিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান। রবিবার ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তির পর এই অকুতোভয় ফিলিস্তিনী কিশোরীকে ফোন করেন এরদোয়ান। এ সময় তিনি কারামুক্তির জন্য অভিনন্দনের পাশাপাশি তামিমির সাহসিকতার প্রশংসা করেন।

রজব তাইয়্যেব এরদোগান এবং আহেদ তামিমি। ইসরাইলি কারাগার থেকে তামিমির সঙ্গে মুক্তি পাওয়া তার মা নারিমান আল তামিমি-ও এই ফোনালাপের সময় মেয়ের পাশে উপস্থিত ছিলেন। ফোনালাপে ফিলিস্তিনীদের ন্যায়সংগত লড়াইয়ে তুরস্কের সমর্থন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন এরদোয়ান।

পরে আনাদোলু এজেন্সি’র সঙ্গে আলাপকালে তামিমি বলেন, ‘তার এই ফোন কল আমাদের জন্য অনেক বড় একটি সমর্থন। আমি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ও তুর্কি জাতিকে ধন্যবাদ জানাই, যারা সবসময় ফিলিস্তিনের পাশে রয়েছে। দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যারা আমাদের পাশে রয়েছে তাদের প্রত্যেকের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর হাতে ফের গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কার কথাও জানান তামিমি। ১৭ বছরের এই কিশোরী বলেন, যারাই প্রতিরোধের পথ বেছে নেবেন, তাদের প্রত্যেকেরই গ্রেফতারের ঝুঁকি রয়েছে।

২০১৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর ইসরাইলি দখলদারিত্বের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সেনাদের গালে থাপ্পড় মেরে ফিলিস্তিনী প্রতিরোধ আন্দোলনের জীবন্ত প্রতীকে পরিণত হন তামিমি। তাকে ইসরাইলের কারাগারে নেওয়া হয়। মার্চে সামরিক আদালতে তার বিরুদ্ধে ঘোষিত হয় জরিমানাসহ আট মাসের কারাদ-। সে হিসেবে ১৯ ডিসেম্বর থেকে কারাগারে থাকা তামিমির মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ১৯ আগস্ট। তামিমির বাবা বাসেম আল তামিমি জানান, তার মেয়ে ১৯ আগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। তবে পরে মুক্তির দিনক্ষণ এগিয়ে আনা হয়।

প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার

ফিলিস্তিনী জাতিমুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে যে নামটি জড়িয়ে আছে ওতপ্রোতভাবে, প্যালেস্টানিয়ান লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) সেই প্রয়াত নেতা ইয়াসির আরাফাতের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনী বীরকন্যা আহেদ তামিমি।

রবিবার ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। মুক্তির পর সাংবাদিকদের সামনে তামিমি অঙ্গীকার করেন, জাতিগত মুক্তি না আসা পর্যন্ত তার প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে।

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ইসরাইলী দখলদারিত্বের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সেনাদের গালে থাপ্পড় মেরে ফিলিস্তিনী প্রতিরোধ আন্দোলনের জীবন্ত প্রতীকে পরিণত হন তামিমি। তাকে ইসরাইলের কারাগারে নেওয়া হয়।

মার্চে সামরিক আদালতে তার বিরুদ্ধে ঘোষিত হয় জরিমানাসহ আট মাসের কারাদ-। সে হিসেবে ১৯ ডিসেম্বর থেকে কারাগারে থাকা তামিমির মুক্তি পাওয়ার কথা ১৯ আগস্ট। তবে বিশেষ মূল্যায়নে ইসরাইলি কারা কর্তৃপক্ষ কারও কারা মেয়াদ কমিয়ে আনতে পারে।

সেই বিশেষ মূল্যায়নেই রবিবার তামিমির কারামুক্তি দেওয়া হয়। আহেদ তামিমির চূড়ান্ত মুক্তির সময় তার বাবা বাসেম তামিমি তাকে সাংবাদিকদের ভিড়ের মধ্যে হাত দিয়ে ঘিরে বের করে নিয়ে যান। ওই সময় তিনি চিৎকার করে বলছিলেন, আমরা স্বাধীনভাবে বাঁচতে চাই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ