ঢাকা, মঙ্গলবার 31 July 2018, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৭ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

নির্বাচনের ফলাফল বাতিল ও পুনঃনির্বাচন দিতে হবে -পীর সাহেব চরমোনাই

তিন সিটি নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পূনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই। প্রকাশ্যে ভয়াবহ ভোট ডাকাতি, কেন্দ্র দখল, জাল ভোট প্রদান, হাতপাখার  এজেন্টদের বের করে দেয়া ও ভোট দিতে না দেয়াসহ ব্যাপক অনিয়মের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি নির্বাচন বর্জন করেছে। বরিশালে সর্বপ্রথম সকাল ১১টায় ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভোট বর্জন করেন। এরপর সিলেটে মেয়র প্রার্থী প্রফেসর ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন খান বেলা ২.৩০মি. এবং রাজশাহীর মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বেলা ৩ টায় ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
গতকাল  সোমবার এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, খুলনা ও গাজীপুর সিটি নির্বাচনের চেয়ে তিন সিটি নির্বাচনে জঘন্য ভোট ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, সরকারের শেষ মেয়াদে এসে এই তিন সিটি নির্বাচন নিয়ে দেশের জনগণ আশা করেছিলো সরকার একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিয়ে জাতিকে একাদশ নির্বাচনের প্রতি আগ্রহশীল করে তুলবে। কিন্তু বিশ্ববাসী অবাক বিস্ময়ে আওয়ামী লীগের বহিরাগত ক্যাডার ও প্রশাসনের নির্লজ্জতা প্রত্যক্ষ করেছে। বরিশালে দলীয় ক্যাডার ও প্রশাসনের ভোট তান্ডব  প্রমাণ করেছে বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না, তা চূড়ান্তভাবে আবারো প্রমাণিত হলো।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে পছন্দের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা দিলে জনগণের টাকা নষ্ট হতো না। এভাবে নির্বাচনের নামে জাতিকে ধোঁকা দিয়ে দেশের সম্পদ নষ্ট করার অধিকার কারো নেই। পীর সাহেব বলেন, তিন সিটিতেই নির্বাচন কর্মকর্তা, পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে ভোট ডাকাতির সুযোগ করে দিয়েছে। বিশেষ করে বরিশালে দলীয় ক্যাডার ও প্রশাসন যেভাবে ভোট ডাকাতির নির্লজ্জতা প্রদর্শন করেছে বরিশালবাসী তা কখনো দেখেনি। পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ