ঢাকা, মঙ্গলবার 31 July 2018, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৭ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

গত এক সপ্তাহেও খুলনা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সভায় হামলাকারী যুবলীগের নেতাকর্মীরা সনাক্ত হয়নি

­খুলনা অফিস : খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সভায় হামলাকারী যুবলীগের নেতাকর্মীদের এক সপ্তাহেও সনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। গত ২৩ জুলাই এ হামলার পর ২৫ জুলাই অজ্ঞাত ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। হামলায় আহত এডভোকেট বিধান ঘোষ গত বুধবার সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন (নং-৪৬)। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা এস আই জাহাঙ্গীর আলম জানান, হামলার সাথে জড়িতদের সনাক্ত করণের কাজ চলছে। মামলায় বাদির অভিযোগের সকল বিষয়গুলো তদন্ত করা হচ্ছে।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা গেছে, খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে গত ২৩ জুলাই দুপুর ২টায় ১নং হল রুমে সমিতির সভাপতি কাজী আবু শাহিনের সভাপতিত্বে সাধারণ সভা শুরু হয়। সভা শুরু পরপরই ২০/৩০ জন বহিরাগত যুবক বারের হল রুমে প্রবেশ করে সভায় হট্টগোল শুরু করেন। এ সময় ওই হট্টগোলের চিত্র মোবাইল ফোনে ধারণকালে এডভোকেট বিধান ঘোষকে মারধর করে বহিরাগত যুবকেরা। এ সময় তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা হয়। অন্যান্য আইনজীবী সহকর্মীরা বিধান ঘোষকে উদ্ধার করে খুলনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। হামলায় আরও কয়েকজন আইনজীবী আহত হয়েছেন।
সদ্য নির্মিত খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির ‘বঙ্গবন্ধু ভবনে’ ১ কোটি ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৩৫০ টাকা ভুয়া ভাউচারে আত্মসাতের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে সাধারণ সভায় আলোচনা উঠতেই বহিরাগতদের হামলায় সভা পণ্ড হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২৩ নবেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নতুন ভবন নির্মানের জন্য ৩ কোটি ১১ লাখ ৪২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। নির্ধারিত ঠিকাদার নির্মাণ কাজ না করায় ২০১৭ সালে আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিজন কৃষ্ণ মন্ডল নিজ তত্ত্বাবধানে ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ করেন। ২০১৭ সালের কমিটিতে সরদার আনিসুর রহমান পপলু সভাপতি ও বিজন কৃষ্ণ মন্ডল সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। সাধারণ সম্পাদক গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি)’র দায়িত্ব পালন করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ