ঢাকা, মঙ্গলবার 31 July 2018, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৭ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কবিতা

আকাশে মেঘ জমেছে
ওয়াহিদা নাসরীন

আবার আকাশে মেঘ জমেছে
কালো কালো পুঞ্জিভূত মেঘ
ভেসে বেড়াচ্ছে অবিরাম।
কখন মেঘ কেটে সূর্যালোক
উঁকি দেবে এ ধরায়?
মেঘ কাটে না, কাটে না আঁধার
স্বপ্ন যেন অধরাই রয়ে যায়।

দুরন্ত মেঘের পর্দা সরিয়ে
অবরুদ্ধ সোনালি সূর্যালোক
ফিরিয়ে আনতে জেগে ওঠো
সাহসী তরুণ প্রজন্ম।
তা না হলে স্বাধীনতার সূর্য
কখনও তার তেজদীপ্তি
নিয়ে হাসতে পারবে না আকাশে।
ঘুচবেনা দুর্দশা এ জাতির।


প্রদীপ্ত নূর
নাজমুন নাহার তুলি

অনুতাপে কাঁদে পাপী কে দেবে রহম?
প্রতি পদে উত্তাপে মন হয় যখম।

হতাশার মায়াজালে খেয়ে গেছি ধরা!
রাতজাগা নিশাচর দিচ্ছে পাহারা।

কোত্থেকে এনে দেবে কে আশার আলো?
যত চাই হাতরাই আঁধারের কালো।

চোখে দেখি মরিচীকা জমকালো রূপ
কে জানে তা ধোকা আর মরনের কূপ!

আজ এই তপনের বিদায় বেলায়
গোধূলীর রঙ তুমি রাঙাবে আমায়।


আগামীর বিজয়
মর্জিনা খাতুন

কোনো কোনো দিন আসে
কান্নাগুলো রক্ত হয়ে ঝরে,
আবার বিজয়কে দেখা যায়
সেই রক্ত পাথরে দাড়িয়ে।

ন্যায়ের পথে অবিচল থাকা
অপার্থিব আনান্দময়,
জীবন বিলিয়েও
তা অনুভব হয়।

ইতিহাসের পাতায়
কিছু কিছু দিন আছে,
এসেছে আল্লাহভীরুদের জন্য
রক্তাক্ত, নৃশংসয় কালো হয়ে।

এ সময় স্মৃতির পাতাগুলো
ছিলো না ধ্বংসের, ছিলো আত্মত্যাগের,
দিয়েছে প্রেরণা আল্লাহর রাহে
করেছে উর্বর হৃদয় জমিনের।

নতুন ঘটনাগুলো আজ
বিস্মৃত হয় পুরাতন ইতিহাস,

ঝরে পড়া তাজাপ্রাণগুলোই
বাকরুদ্ধ হয়ে যায় জীবনের নিঃশ্বাস।

তাদের প্রতিটি কর্ম ভাবিয়ে তোলে
তারা যেনো মনুষ্য জাতি নয়,
এ যেনো মনে হয়
আফ্রিকার জঙ্গলের হিংস্রর নেকড়ের নৃশংসতায়

বরন করে নিয়েছে অনেকেই
পঙ্গুত্ব জীবন,
ফাঁসির মঞ্চও
করে নিয়েছে সাদরে গ্রহণ।

তবু ধ্বংস হয়নি ইসলাম
ইসলামী আন্দোলন,
মজবুত এদের ঈমান সীসা ঢালা প্রাচীরের মতো
করে দিতে পারে জীবন কুরবানীকরন।

আন্দোলনের প্রতিটি ব্যক্তিত্ব
করে বাতিলের মোকাবেলায় দৃঢ়তা প্রদর্শন,
পরাজয় বরন করেনি এরা ১৪শ বছর আগেও
দ্বীনের বিজয়ে করেছে জীবন উৎসর্গকরণ।

আজও ইসলাম আছে, ইসলিমী আন্দোলন আগামীর ইতিহাসের পাতায়,
ইসলামেই আছে সুনিশ্চিত
আগামীর বিজয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ