ঢাকা, মঙ্গলবার 31 July 2018, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৭ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বাগমারায় সরকারী খাল বালি দিয়ে ভরাট

বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদদাতা: রাজশাহীর বাগমারায় সরকারী খালে অবৈধ ভাবে মাটি, বালি ও পাকা বাঁধ দিয়ে অবাধে পানি প্রবাহ বন্ধ করে দিয়েছে প্রভাবশালী মহল। পানি প্রবাহের ব্যবস্থা না থাকায় ওই এলাকার কয়েকটি বিলের চাষ আবাদ হুমকির মুখে পড়েছে। প্রশাসনের পক্ষে একাধিক বার বাঁধ বন্ধের ব্যবস্থা নিলেও অজানা কারণে বহাল তাবিয়তে কাজ করছে প্রভাবশালীরা। এতে করে কয়েকটি বিলের চারি ধারের কৃষকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
জানা গেছে, উপজেলার নরদাশ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামসহ কতিপয় প্রবাবশালী মহল চন্ডিপুর গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সরকারী খাস হাতিনার  দাঁড়া দিয়ে গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের কইচা বিল, দাইমা বিল, হড়ংবিল এবং কোলার বিলের পানি নদীতে পড়ে। যুগ যুগ ধরে পানি প্রবাহের এই খালে সম্প্রতি অবৈধ ভাবে পাকা বাঁধ দিয়ে মাছ চাষের চেষ্টা করে মেম্বর রফিকুল ইসলামসহ তার পেটুয়া বাহিনী। বিষয়টি নিয়ে নরদাশ ইউনিয়নের আরেক ইউপি সদস্য সেকেন্দার আলী লিখিত অভিযোগ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
জন স্বার্থে সরকারী জায়গায় নির্মিত বাঁধটি ভেঙ্গে ফেলার জন্য ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামকে আদেশ দেন সহকারী কমিশনার( ভূমি)। প্রশাসনের কাছে বাঁধটি ভেঙ্গে ফেলার এক সময় মুচলেকা প্রদান করে সামলে নেয় মেম্বর রফিকুল। পরবর্তিতে প্রভাবশালীদের যুগ সন্ধিতে সেটা অমান্য করে সেই খালে বাঁধ নির্মান শেষ করে। এমন সংবাদ পত্রিকায় পুনরায় প্রকাশ হওয়ার পর নড়ে চড়ে উঠে প্রশাসন। সংবাদ প্রকাশের পর ঘটনা স্থলে গিয়ে সরকারী খালে নির্মিত সেই বাঁধটি ভেঙ্গে ফেলতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন প্রশাসন। এসময় খালে পানি অতিরিক্ত পানি থাকার ফলে সঠিক ভাবে উচ্ছেদ অভিযান সফল হয়নি।
এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বাঁধটি ভেঙ্গে ফেলার জন্য উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছি। তার পরেও আবারো এমনটি বিষয় নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ