ঢাকা, মঙ্গলবার 31 July 2018, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৭ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চেক জালিয়াতি মামলায় আগৈলঝাড়ার ৭ প্রতারককে ১৫ বছর কারাদন্ড

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা: আগৈলঝাড়ার সোনালী ব্যাংকে চেক জালিয়াতি মামলায় ৭ প্রতারককে ১৫ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। এ ছাড়াও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাস করে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। বরিশালের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ গোলাম ফারুক সোমবার এই রায় দেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১০ এপ্রিল হারুন শেখের ছেলে শামীম শেখের নামে ৩টি চেক সোনালী ব্যাংক পয়সারহাট শাখায় ব্যবস্থাপকের স্বাক্ষর জাল করে টাকা উঠানোর জন্য জমা দেয়া হয়। এ সময় ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে তারা ব্যবস্থাপক শংকর লাল নাথের সাথে যোগাযোগ করলে ওই চেকে স্বাক্ষর জাল বলে প্রমানিত হয়। এ ঘটনায় তখন দন্ডিতকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয় ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপক শংকর লাল নাথ বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ২৮ আগষ্ট এসআই ইদ্রিস আলী দন্ডিতদের অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট প্রদান করেন। মামলার বিচারক ১১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। পরে ৪২০ ধারায় ৫ বছর, ১০৯ ধারায় ৫ বছর, ৪৬৮ ধারায় ৫ বছর ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ড দেন। দন্ডিতরা হলো উপজেলার পয়সারহাট গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে ওমর ফারুক ফকির, সেকেন্দার বেপারীর ছেলে আবুল বেপারী, সৈয়দ আলী শেখের ছেলে সানোয়ার শেখ, মোক্তার হোসেন রুমি খানের ছেলে মনির খান, হাবিব মাতুব্বরের ছেলে মিজান মাতুব্বর, আবুল বিশ্বাসের ছেলে চয়ন বিশ্বাস ও হারুন শেখের ছেলে শামীম শেখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ