ঢাকা, বুধবার 1 August 2018, ১৭ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৮ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ফটিকছড়িতে সর্তার ভাঙ্গনে আঁন্দার মানিক-হচ্ছার ঘাঁ হুমকির মুখে

সর্তা খালের গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে ধর্মপুর-ভিরাম সড়ক ও তুলাতলী জামে মসজিদ -সংগ্রাম

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : ফটিকছড়িতে সর্তা খালের ভাঙ্গনের কারণে হুমকীর মুখে পড়েছে ফটিকছডড়ির ধর্মপুর আঁন্দার মানিক ও খিরাম হচ্ছার ঘাঁ এলাকা। অবৈধ ড্রেজার মেশিনে বালি উত্তোলনের ফলে শতাধিক বাড়িঘরসহ শত শত একর ফসলি জমি সর্তা খালের ভাঙ্গনে তলিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে যথাযথ প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, ধর্মপুর আঁন্দার মানিক কম্মর বাড়ি, পূর্ব বড়ুয়া পাড়া, বজল মাস্টার বাড়ি, তুলাতলী জামে মসজিত, খিরাম হচ্ছার ঘাটের ওয়াহেদ পন্ডিত বাড়ি, বালির বাপের বাড়ি, কবির আহমদ তালুকদার বাড়ি, আবদুর রশিদ হাড়ীর বাড়ি সর্তা খালের ভাঙ্গনের শেষ প্রান্তে রয়েছে। যে কোন সময় এসব বাড়ি-ঘর খালের গর্ভে তলিয়ে যাবে। আন্দার মানিক এলাকার বাসিন্ধা হাজী দরবেশ আলী, বদিউল আলম সওদাগর, আবুল কালাম, মানিক মিয়া অভিযোগ করে জানান, রাজনৈতিক নেতা নামধারী বালি পাচারকারীদের অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বিগত ৪-৫ বছর যাবৎ বালি উত্তোলনের কারণে মারাত্মক হুমকীর মুখে রয়েছে তুলাতল বায়তুছ ছালাম জামে মসজিদ ও কম্মর বাড়ি। তারা বালি পাচারকারীদের শাস্তি দাবী করে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবী জানান।
হচ্ছারঘাঁ এলাকার বাসিন্ধা আবদুল লতিফ মেম্বার, নুরুল হুদা, আবদুস শুক্কুর, রাশেদুল আলম জানান, এই এলাকাটি ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে আমরা শেষ প্রান্তে আছি। সর্তা খালের সিসি ব্লক বাঁধ দেওয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের দ্রুত উদ্যোগ চাই। ১৮নং ধর্মপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম এ কাইয়ুম বলেন, ২০১৭-২০১৮ সালের বন্যায় ও সর্তা খালের ব্যাপক ভাঙ্গণের কারণে ধর্মপুর- খিরাম সড়কটি পুরো নষ্ট হয়েছে। এজন্য বিকল্প সড়ক তৈরী করেছি। কিন্তু খালের ভেড়ী বাঁধ এবং সিসি ব্লব বাঁধ দেওয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে বার বার ধন্য দিয়েও কোন উদ্যোগ পাওয়া যাচ্ছেনা। ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার রায় বলেন, আঁন্দার মানিক এলাকায় অবৈধ বালির মহালে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে ড্রেজার মেশিন পুড়িয়ে দিয়েছি। কিন্তু পাচারকারীদের হাতে নাতে ধরতে না পারায় মামলা দেওয়া হয়নি। এখন সেখানে বালি পাচারকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দিতে ফটিকছড়ি থানা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান এম. তৌহিদুল আলম বাবু বলেন, এলাকাটি পরিদর্শন করে আমি দ্রুত বিহীত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে চিটি পাঠাবো।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ