ঢাকা, বুধবার 1 August 2018, ১৭ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৮ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কলাপাড়ায় গ্রামীণ সড়কের সংস্কার নেই ॥ চলাচলে দুর্ভোগ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী): কলাপাড়া সলিমপুর থেকে গরীপুর পর্যন্ত বেড়িবাঁধ সড়কটি দীর্ঘদিন অর্ধেক পাকা (সিলকোট) করেছে দুই বছর আগে। বাকিটা আরও আগে। সরকারি অর্থায়নে করা এ সড়কটি এখন পাকা না কাঁচা তা বোঝার উপায় নেই -সংগ্রাম

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা নীলগঞ্জ ইউনিয়নে সলিমপুর থেকে নবীপুর পর্যন্ত বেড়িবাঁধ সড়কটি দীর্ঘ দুই কিলোমিটার। এলজিইডি এই সড়কটির অর্ধেক পাকা (সিলকোট) করেছে দুই বছর আগে। বাকিটা আরও আগে। সরকারি অর্থায়নে করা এসড়কটি এখন পাকা না কাঁচা তা বোঝার উপায় নেই। শতকরা ৯০ ভাগ কার্পেটিং উঠে এখন হাটু সমান কাদার সড়কে পরিণত হয়েছে। এলজিইডির হিসেবে দুই কিমি সড়কের উন্নয়নে অন্তত দেড় কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। অথচ তা এখন ব্যবহার অনুপযোগী। মানুষ খালি পায়েও চলাচল করতে পারেনা। অবৈধ, ছয় চাকার দৈত্যাকৃতির যান ট্রলি কিংবা হামজা ওই সড়ক দিয়ে ইটসহ ভারি মালামাল নিয়ে চলাচলে সড়কের এমন বেহাল দশা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্গম হয়ে গেছে। সেখানকার ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন মাহমুদ জানান, নবীপুর, নিজকাটা, উমেদপুর, লস্করপুর, হলদিবাড়িয়া এলাকারসহ তার ইউনিয়নের অন্তত চার কিলোমিটার পাঁকা সড়ক ছয় চাঁকার এই ট্রলিতে ইট বোঝাই করে চলাচলে ভেঙ্গে একাকার করে দিয়েছে। আর কাচা মাটির সড়ক তো শেষ করে দিয়েছে। তার কথায় সরকারের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা অবৈধ এই যানের কারণে এখন চলাচল অনুপযোগী হয়ে গেছে। নীলগঞ্জে অন্তত ১০টি ইটভাটা রয়েছে। অন্তত ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কয়েকটি সড়কের সর্বনাশ করা হয়েছে। টিয়াখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান শিমু জানান, কলাপাড়া পৌরসভা থেকে টিয়াখালী-লোন্দা সেতু পর্যন্ত পাকা সড়কটি ছয় চাকার ট্রলি (হামজা) চলাচল করায় এখন ভেঙ্গে একাকার হয়ে গেছে। কার্পেটিং তো দুরের কথা। কাঁদা মাটি বেরিয়ে গেছে। এখন কোন যানবাহন চলাচলের উপযোগিতা নেই। তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদের সভায় বহুবার এইসব অবৈধ যানবাহন চলাচলে সরকারি কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে জনস্বার্থে নির্মিত অভ্যন্তরীন পাকা সড়কগুলো ধ্বংস করার বিষয়টি বলেছি। কোন প্রতিকার হয়নি। চেয়ারম্যান রিয়াজ তালুকদার জানান, ধানখালীর নোমরহাট থেকে কলেজবাজার হয়ে লোন্দা খেঁয়াঘাট পর্যন্ত দুই দিক থেকে প্রায় ১৯ কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ পাঁকা সড়ক অবৈধ ট্রলি হামজাসহ ভারি যানবাহন চলাচলে এখন এটি আর সড়কের পর্যায়ে নেই। চেয়ারম্যান রিন্টু তালুকদার জানান, চম্পাপুর ইউনিয়নের কাঁচা-পাকা অন্তত ২০ কিলোমিটার সড়ক হামজার চাক্কায় নষ্ট হয়ে গেছে। চেয়ারম্যান এবিএম হুমায়ুন কবির জানান, বালিয়াতলীর কুয়াকাটাগামী বিকল্প সড়ক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ