ঢাকা, বুধবার 1 August 2018, ১৭ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৮ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শাহজাদপুরে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল

শাহজাদপুরের কৈজুরী হাটে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বিভিন্ন হাট বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল। প্রবাদে আছে ‘মাছের পোনা দেশের সোনা’। এ কথাটি কেবল প্রবাদেই রয়ে গেছে। বাস্তবে এর কোন মিল নেই, নেই প্রণীত এই আইনের কোনো কার্যকারিতা। সরকার কারেন্ট জাল উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, বাজারজাত, ক্রয় ও ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিলে মাছের আকাল থেকে দেশ কিছুটা হলেও রক্ষা পেত। সেই সাথে বাঁচানো যেত বিলুপ্ত প্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছ। বর্তমানে যেভাবে মাছের পোনা নির্বিচারে ধ্বংস করে চলছে এক শ্রেণীর অর্থলোভী অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ীরা। তাতে করে শুষ্ক মৌসুমে সব ধরনের মাছের সংকটে পড়বে দেশ। পোনা মাছ ধরার বিরুদ্ধে রেডিও টিভিসহ সংবাদপত্রে প্রচারণা চালিয়েও কোন কাজে আসছেনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের শুভ উদ্যোগ। অবৈধভাবে উৎপাদিত কারেন্ট জালে ধরা পড়ছে ছোট ছোট সকল প্রকার মাছ। ফলে জাল ব্যবসায়ীদের ব্যবসাও চলছে রমরমা। শাহজাদপুরে বিভিন্ন হাট বাজারে প্রকাশ্যে দিবালোকে কারেন্ট জাল বিক্রয় হওয়ার পরও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর রয়েছে নিশ্চুপ। কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না। সরেজমিনে ঘুরে, উপজেলার কৈজুরী, জামিরতা, বানতিয়ার চর, পোরজনা, তালগাছি সহ বিভিন্ন হাটে দেখা গেল প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রির মহাউৎসব। সরকার ৪ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার বা তদুপেক্ষা কম ব্যস বা দৈর্ঘ্যর ফাঁস জালের (কারেন্ট জাল) নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও তা কোনো কাজে আসছে না। নিয়ম অনুযায়ী এ আইন অমান্যকারীকে ৫’শ টাকা জরিমানা বা ৬ মাসের জেল অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার ঘোষনা রয়েছে। কিন্তু এ সকল আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু মৎস্য শিকারীরা অবাধে কারেন্ট জাল ব্যবহার করে শিকার করছে পোনা মাছ। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে শাহজাদপুর সহ বৃহত্তম চলনবিল অঞ্চলের অনেক মিঠা পানির মাছ। এব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ ব্যাপারে আমরা অবগত নই। তবে কোথাও এই নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ক্রয়-বিক্রয় করতে দেখা গেলে দোষিদের বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করব।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ