ঢাকা, বৃহস্পতিবার 2 August 2018, ১৮ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৯ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পেছনে যৌক্তিকতা আছে -ওবায়দুল কাদের

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর কুর্মিটোলায় চালকদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতায় গত  রোববার বিমানবন্দর সড়কে বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহতের প্রতিবাদে রাজপথে চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পেছনে যৌক্তিকতা আছে বলে স্বীকার করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
গতকাল বুধবার সেতু ভবনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সড়ক ও পরিবহন খাতের বিশৃঙ্খল অবস্থা দূর করতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুমে ফিরে গিয়ে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান তিনি।
সড়কে ক্রমবর্ধমান বিশৃঙ্খলতা নিয়ন্ত্রণে নতুন আইনের প্রয়োজন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, উদ্ভূত বিশৃঙ্খলতার লাগাম টেনে ধরতেই এমন একটি আইন খুব জরুরি। এ ব্যাপারে গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনমন্ত্রীর প্রস্তাবিত একটি আইন আগামী সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে উত্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান মন্ত্রী।
প্রস্তাাবটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর সংসদের আগামী অধিবেশনেই পাস হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এ আইনটি পাস হলে সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় আরো কঠিন ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে। তাতে করে সড়কে নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও যানজট লাঘব হবে বলে মনে করেন তিনি।
বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় গত দুদিন ধরে রাজধানীতে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী সড়ক আটকে যে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, তাদের ‘আবেগের’ পেছনে ‘বাস্তব কারণ’ আছে বলেই মনে করছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী এবার নিজেই উদ্যোগ নিয়েছেন এবং সড়ক পরিবহন আইন পাস হলে লাগাম টেনে ধরার জন্য আরও ‘কঠিন পদক্ষেপ’ নেওয়া সম্ভব হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিক্ষোভে গাড়ি পুড়িয়ে ফেলবে বা ভাঙচুর করবে- এই ভীতি থেকে গাড়ির মালিকরা গাড়ি বের করেনি। গাড়ির মালিকদের এই ভীতিটা থাকতেই পারে  আমার মনে হয় এই ভীতিটা কেটে যাবে। আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।”
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  বলেন,এখন নৈরাজ্য হয়নি, তবে বিশৃঙ্খলা টার্মিনালে আছে, সড়কেও আছে। এটা তো আমি অস্বীকার করি না। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি আইন খুব জরুরি ছিল। সে আইনটা আশা করি পাস হয়ে যাবে। তারপর এখানে আমরা লাগাম টেনে ধরার জন্য কিছু বাস্তব ও কঠিন পদক্ষেপ নিতে পারব।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ