ঢাকা, শুক্রবার 3 August 2018, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৫, ২০ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

পাবনা উত্তরণ সাহিত্য সম্মেলন

সাহিত্য সম্মেলন মানেই হৃদয়ের উৎসব, প্রাণের মিলন মেলা। কবিকণ্ঠে আবৃত্তি, গীতিকার-সুরকারের হেরে গলায় গান, শিল্পীর কণ্ঠে সুরেলা সময়। আড্ডা, গল্প আর তাত্ত্বিক আলোচনার সেশন। সম্প্রতি তেমনি একটি সম্মেলন-আড্ডা অনুষ্ঠিত হলো পাবনায়। উত্তরণ সাহিত্য আসরের আয়োজনে পাবনা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সাহিত্য সম্মেলনে উপস্থিত ছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কবিসাহিত্যিক এবং বাড়তি আকর্ষণ ছিলো ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগত লিখিয়ে-শিল্পীবৃন্দের প্রাণবন্ত উপস্থাপনা। উত্তরণ সাহিত্য আসরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি ও গীতিকার আলমগীর কবীর হৃদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি তিনটি পর্বে বিভক্ত ছিলো। প্রথম পর্বে র‌্যালী ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এ পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাবনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রেজাউল রহিম লাল। মূল আলোচক ছিলেন ক্যাপ্টেন (অব.) সরওয়ার জাহান ফয়েজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি ও গবেষক শফিক আজিজ, কবি ও সম্পাদক প্রত্যয় হামিদ, কোলকাতা থেকে আগত কবি দিপেন ভাদুরী, কন্ঠশিল্পী মুকুল চক্রবর্তী প্রমুখ। বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কবি ও সংগঠকবৃন্দ এ পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। দুপুরের বিরতির পরে শুরু হয় কবিদের সেশন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত কবি সাহিত্যিকগণ অনুভূতি ব্যক্ত করার পাশাপাশি স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর কবি ও গবেষক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ ছিলেন এ পর্বের প্রধান অতিথি। 

 এ পর্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপন্যাসিক মোখলেছ মুকুল, কোলকাতা থেকে আগত কবি তাপস সাহা, কন্ঠশিল্পী অপর্ণা দাশ, কৃষ্ণা ব্যানার্জি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সম্মেলন ¯মরণিকা উত্তরণ কন্ঠ'র মোড়ক উন্মোচন করা হয়। সাহিত্যচর্চায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ভারতের ৫জন এবং বাংলাদেশের ৫ জনকে ‘কবি বন্দে আলী মিয়া সাহিত্য পদক’ প্রদান করা হয়। বাংলাদেশের পদকপ্রাপ্তরা হলেন ইউনুছ আনছারী (উপন্যাসে) ফিরোজা বেগম রেখা (সঙ্গীতে) ফরিদুজ্জামান ফাহিম মিতুল (কবিতায়) আবুল খায়ের (প্রবন্ধে) মোখলেছ মুকুল (উপন্যাসে)। সঙ্গীতে ভারতের মুকুল চক্রবর্তী, কবিতায় সুতপা মুখোপাধ্যায়, তাপস সাহা, সুবোধ কুমার এবং তারক দেবনাথ। 

 অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উত্তরণ সাধারণ সম্পাদক পলাশ আব্দুল্লাহ, সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শিশির ইসলাম, রাফিদ আহমেদ, নাবিল। উপস্থাপনায় ছিলেন কবি সৈয়দা জহুরা ইরা ও আফিয়া ফারজানা। তৃতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ ও ভারতের কন্ঠশিল্পীবৃন্দ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ