ঢাকা, শনিবার 4 August 2018, ২০ শ্রাবণ ১৪২৫, ২১ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বাঘায় পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন হুমকির মুখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

রাজশাহী : পদ্মা নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে বাঘার চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয় -সংগ্রাম

রাজশাহী অফিস : পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ফসলী জমি। ইতোমধ্যে নদী তীরবর্তী ৯টি গ্রামের ১০ কিলোমিটার সীমানার প্রায় ৩০ ফিট করে ফসলী জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন শত শত কৃষক।
এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে অনেক ঘর-বাড়ি নদী গর্ভে তলিয়ে যাবে। তবে এই সময় হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে আছে চরাঞ্চলের একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার সকালে এসব ভাঙ্গন কবলিত এলাকাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিন্নাত আলী ও নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা। ভাঙন কবলিত এলাকার ৯টি গ্রাম- কিশোরপুর, গোকুলপুর, জোতকাদিরপুর, দিয়ারকাদিরপুর, মালিয়ানদাহ, টিকটিকিপাড়া, চকরাজাপুর, কালিদাসখালি ও লক্ষ্মীনগর এলাকার চিত্র ভয়াবহ। এই ভাঙ্গনের ফলে অনেকের ঘর-বাড়িসহ হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে আছে চরাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়। ইতোমধ্যে স্কুলের পুরাতন টিনসেড ভবন ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ ছাড়াও গত এক সপ্তাহে প্রায় দেড় হাজার বিঘা ফসিল জমি নদীগর্ভে তলিয়ে বলে জানা গেছে। এর ফলে এ বছর সিংহ ভাগ ক্ষতি হয়েছে আম, খেজুর ও পিয়ারা বাগান এবং পাট ও আখসহ নানা প্রকার ফসলি জমি। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতি বছরই পদ্মা নদী তীরবর্তী অঞ্চলে কম-বেশী ভাঙন দেখা দেয়। স্থানীয় লোকজন জানান, যথাযথ উদ্যোগের অভাবে এই এলাকার প্রায় ৪ কিলোমিটার বাঁধ অরক্ষিত রয়েছে। গত ৭ বছরে পদ্মার ভাঙনে এইসব এলাকার প্রায় ৫শ’ বাড়িসহ ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার এবং বিজিবি ক্যাম্পসহ কয়েক হাজার বিঘা আবাদি-অনাবাদি জমি চলে গেছে পদ্মার তলদেশে। গৃহহারা হয়েছে বহু পরিবার। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদী ভাঙন রোধের আশ্বাস দেয়া হলেও কাজের কাজ কিছু হয় না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ