ঢাকা, শনিবার 4 August 2018, ২০ শ্রাবণ ১৪২৫, ২১ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কমছে না নিত্যপণ্যের দাম ॥ সবজি ও মসলার মূল্য ঊর্র্ধ্বমুখী

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীতে প্রতিনিয়তই বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। চাল, ডিম, সবজি, মাছ, মাংস- সবই বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে বাড়ছে মসলাজাতীয় পণ্যের দাম। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে সবজির দাম বেড়েছে একটু বেশি। তবে সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে বলে মনে করছে ব্যবসায়ীরা।
গত শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা যায়, আদা ১০-২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, পেঁয়াজের দাম বেড়ে হয়েছে ৬০ টাকা, রসুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা থেকে ১১০ টাকায়, প্রতিকেজি এলাচ বিক্রি করতে দেখা যায় ১৮৫০ টাকা থেকে ১৯০০ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে খুচরা বাজারে প্রতিকেজি এলাচ ১৫৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা কেজি দরে যা আগে বিক্রি হয়েছে ২১০ টাকায়। জিরা টার্কি ৪১০ ও ইন্ডিয়ান জিরা ৩১০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। এর আগে টার্কি জিরা বিক্রি হয়েছে ৩৫০ টাকায়, ইন্ডিয়ান জিরা বিক্রি হয়েছে ২৮০ টাকায়।
রাজধানীর সবজি বাজারে কোনো সবজির দাম কমেনি, আগের বাড়তি দামেই বিক্রি করতে দেখা গেছে। বরং দু’ একটি সবজির দাম বেড়েছে। বাজারগুলোতে প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা, কাকরোল ৬০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, কচুরমুখী ৬০ টাকা, ওল ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শাকের দামও কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা পর্যন্ত। লাউশাক প্রতি আঁটি ৪০ টাকা, লালশাক ১৫ টাকা, সবুজশাক ১৫ টাকা বিক্রি হতে দেখা যায়।
ডিম ও চালের দামও বেড়েছে ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত। ব্রয়লার মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১০৮ টাকা, হাঁস ১৪০ টাকা, দেশি মুরগি ১৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। মিনিকেট চাল খুচরা বাজারে ৬৫ টাকা কেজি, নাজিরশাইল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, স্বর্ণা ৫২ টাকা, আটাশ ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মাছও। মাছের বাজারে প্রতিকেজি চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ১৪০০ টাকায় (আকারভেদে), রুই ২৫০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা, কাতল মাছ ৩০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০ টাকা, পাঙাস ১৬০ টাকা, শিং ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা, কৈ ২২০ টাকা, কৈ (দেশি) ৮০০ টাকা, টেংরা ৮০০ টাকা, পাবদা ৭০০ টাকা, মলা ৪৫০ টাকা, ইলিশ (৯০০ গ্রাম) জোড়া ৩০০০ টাকা, ইলিশ (সোয়া কেজি) প্রতিপিস ২৫০০ টাকায়।
সবজির দাম বৃদ্ধি সম্পর্কে এক বিক্রেতা বলেন, এখন বর্ষার কারণে পাইকারি সবজির আমদানি কম। আমদানি কম হওয়ার কারণে দাম কিছুটা বেড়েছে।
আয়েশা খাতুন নামে এক ক্রেতা বলেন, নানা অজুহাতে বিক্রেতারা পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ