ঢাকা, শনিবার 4 August 2018, ২০ শ্রাবণ ১৪২৫, ২১ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কোরিয়ায় দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের জয়

স্পোর্টস ডেস্ক : দক্ষিণ কোরিয়া শুক্রবার দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এশিয়ান গেমস ও সাফ ফুটবলকে সামনে রেখে জাতীয় ফুটবল দল এখন দক্ষিণ কোরিয়া  সফরে। প্রথম ম্যাচে গুয়াংজু এফসির কাছে ২-০ গোলে হেরে গেলেও শুক্রবার দ্বিতীয় ম্যাচে সেহান বিশ্ববিদ্যালয়কে ২-১ গোলে হারিয়েছে লাল-সবুজের দল।মকপো আন্তর্জাতিক ট্রেনিং সেন্টারে শুরু থেকেই ছিল বাংলাদেশের আধিপত্য। তাই গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। দশম মিনিটে সাদউদ্দিনের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু বিরতির পর  ৬৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা নিয়ে আসে সেহান বিশ্ববিদ্যালয়। তবে তাতে দমে যায়নি বাংলাদেশ। একের পর এক আক্রমণের সুফল এসেছে ৮৫ মিনিটে, তরুণ ফরোয়ার্ড মাহবুবুর রহমান সুফিলের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।আগের ম্যাচে হতাশাজনক হারের পর এই ম্যাচ জিতে খুশি জেমি ডে। খেলা শেষে শিষ্যদের প্রশংসা করে বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ বলেছেন, ‘বাংলাদেশ দল এই ম্যাচে তুলনামূলক অনেক ভালো খেলেছে। ছেলেরা আগের চেয়ে অনেক উন্নতি করেছে।ম্যানেজার সত্যজিত দাশ রুপু অবশ্য এতটা উচ্ছ্বসিত নন। বরং বড় ব্যবধানে জিততে না পারার হতাশা তার কণ্ঠে, ‘সেহান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে আমরা ভালো খেলেছি ঠিকই, তবে এই ম্যাচে অনেক সুযোগও নষ্ট করেছি। পুরো ম্যাচেই আমরা প্রাধান্য বিস্তার করে খেলেছি। বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট না করলে বড় ব্যবধানে জিততে পারতাম আমরা।’

কাতার ক্যাম্পের পরে সাভারের বিকেএসপিতে ট্রেনিং তারপর কোরিয়া সফরে গিয়ে তিনটি ম্যাচ খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ ফুটবল দলের লক্ষ্য এশিয়ান গেমস। ২৭ ফুটবলারকে নিয়ে নতুন কোচ জেমি ডের লক্ষ্য আগামী ১৪ আগস্ট থেকে জাকার্তায় শুরু গেমসের আগে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কম্বিনেশন সাজানো। কোরিয়ায় তিনটি ম্যাচ খেলে একটি সেরা একাদশ বাছাই করা।সেই উদ্দেশ্যে সফরের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে হেরে দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পেয়েছে জেমি ডে’র শিষ্যরা। 

এ স্কোয়াড ২০ জনের হলেও সঙ্গে সাত সিনিয়র ফুটবলারকে সঙ্গে নেওয়া হয়েছে ভবিষ্যতের কথা ভেবে। আগামী সেপ্টেম্বরে মূল জাতীয় দলের জন্য তাদের তৈরি করতে। এই অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই থাকবেন সিনিয়র দলে। সুতরাং এশিয়ান গেমসের পারফরম্যান্সও গুরুত্বপূর্ণ। গ্রুপ পর্ব পেরোনোর  স্বপ্ন কেউ দেখে না। থাইল্যান্ড, উজবেকিস্তান, কাতারের একটি ম্যাচ জিতলে সেটা কোচের জন্য অনেক ‘বড় পাওয়া’। তার ইতিবাচক প্রভাব থাকবে সাফের দলে।আপাতত দ্বিতীয় ম্যাচে এই জয় আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বাংলাদেশ দলকে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ