ঢাকা, শনিবার 4 August 2018, ২০ শ্রাবণ ১৪২৫, ২১ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সান্ধ্যকালীন কোর্সে ডিপ্লোমা

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে আগ্রহী হওয়ার পেছনে যে কারণগুলো আছে তার মধ্যে বড় সুবিধা হলো চাকরির সহজলভ্যতা। কর্মমুখী শিক্ষার কারণে পাশ করার পর আপনার জন্য রয়েছে সরকারি দেশ বিদেশে অসংখ্য প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সুযোগ। ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করার পর সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ও উচ্চতর ডিগ্রি নেয়ার সুযোগ। চাকুরির পাশাপাশি সান্ধ্যকালীন সময়ে ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি করতে পারেন। চাকরির ক্ষেত্রে যদি ডিপ্লোমা ফলাফল ভালো থাকে তাহলে ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোতে চান্স পেতে আপনার জন্য সহায়ক হবে। কিছু কিছু উত্পাদনমুখী প্রতিষ্ঠানে আপনার ফলাফলের চেয়ে প্র্যাকটিক্যালের মুল্যায়ন বেশি। বর্তমানে সরকারি বা বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য প্রচুর চাকুরির সুযোগ রয়েছে। তাছাড়া ও ডিপ্লোমা শেষে ছোট খাটো ব্যবসা করে আত্বকর্ম সংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন। দেশের উন্নয়নে অবদান:সময়ের সাথে সাথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, পরিবর্তন আসছে শিক্ষা ব্যবস্থায়, কারণ শিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি ছাড়া দেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বর্তমানে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা কর্মমূখী ও শিল্প সহায়ক একটি আধুনিক ব্যবস্থা সুতরাং এই শিক্ষার মাধ্যমে জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রুপান্তরিত করার ফলে সাধিত হচ্ছে আমাদের দেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে তার লক্ষ্যে- উন্নয়নশীল থেকে উন্নত দেশে। আর তাইতো সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি জোয়ার এসেছে কারগরি শিক্ষার। কারিগরি শিক্ষাই এখন দেশকে দিচ্ছে তার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌছানোর মূল মন্ত্র। এক্ষেত্রে ড্যাফোডিল পরিবারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে ব্যতিক্রম না বললেই নয়। আর এই শিক্ষা পরিবারের মধ্যে ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি হচ্ছে অন্যতম একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান । দক্ষ ও কর্মমূখী শিক্ষার পাশাপাশি প্রতি শিক্ষার্থীকে সাফল্যের দুয়ারে পৌছে দেওয়াই এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউটে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা বৃত্তির ব্যবস্থা চালু আছে।বিস্তারিত ০১৭১৩-৪৯৩২০৫ এই নম্বরে। কোর্স শেষে ৩ মাসব্যাপী ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ পায় শিক্ষার্থীরা। ফলে অভিজ্ঞতা নিয়েই চাকরিতে যোগদান করতে পারে। ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট-এর রয়েছে চট্রগ্রামের নিজস্ব জায়গায় মনোরোম পরিবেশে শিক্ষা সহায়ক সকল প্রকারের সুবিধা সম্বলিত সুবিশাল স্থায়ী ক্যাম্পাস। ডিআইআইটি চট্টগ্রাম ক্যাম্পাসে রয়েছে সুযোগ্য শিক্ষকমন্ডলী। প্রতিটি বিষয়ে দক্ষ শিক্ষক দ্বারা ক্লাস পরিচালিত হয়। ডিআইআইটি এর কোন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে হয় না বরং দুর্বল ও অমনোযোগী ছাত্র- ছাত্রীদেরকে গাইড টিচার দ্বারা আলাদাভাবে কেয়ার নেয়া হয়। উল্লিখিত টেকনোলজিসমূহে ভর্তির জন্য একজন শিক্ষার্থীকে অবশ্যই নির্ধারিত ন্যূনতম জিপিএ (২.০০+) সহ মাধ্যমিক বা সমমানের সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট ধারি অথবা উচ্চ মাধ্যমিকে অকৃতকার্য ছাত্র-ছাত্রীরাও ভর্তির জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। ডিআইআইটি-তে ২০১৮-১৯ সেশনে ভর্তি চলছে। বোর্ড কর্তৃক সিট সংখ্যা সীমিত হওয়ায় ব্যাচ পূর্ণ হওয়ার পূর্বে ভর্তির তথ্যের জন্য অফিসে যোগাযোগ করুন। আরো জানতে যোগাযোগ  করতে পারেন E-mail: www.diit.info এই ই-মেইলের মাধ্যমে।
শাহ্ আলম

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ