ঢাকা, রোববার 5 August 2018, ২১ শ্রাবণ ১৪২৫, ২২ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সরাইলে শ্যালক ভগ্নিপতি হাসপাতালে॥ আটক-২

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে শ্যালক আলম (১৮) ও তার ভগ্নিপতি মোঃ হোসেন মিয়া-(২৬) আহত হয়েছেন। গত বুধবার সরাইল বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে ভগ্নিপতি হোসেন ও তার সহযোগীদের হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ ফারুক মিয়া (৩৭) ও গাজী হাবিবুল্লাহ (৩৫) নামের ২ জনকে আটক করে।
প্রত্যক্ষদর্শী, আহত আলম ও তার পরিবারের লোকজন জানায়, সদর ইউনিয়নের দেওয়ান হাবলি এলাকার আইয়ুব খানের ছেলে আলম। আলমদের দোকান ভাড়া নিয়েই ফার্নিচারের ব্যবসা করতো কালিকচ্ছ ইউনিয়নের মঠখোলা গ্রামের মমিন খানের ছেলে হোসেন। দুই বছর আগে আলমের এসএসসি পড়–য়া ছোট বোনকে নিয়ে পালিয়ে যায় হোসেন। ঘটনাটিকে মেনে নেয়নি আলমের পরিবার। এ ঘটনায় হোসেনের সাথে আলমদের পরিবারের দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এরই মধ্যে হোসেন তার স্ত্রীর ছোট বোন পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর সাথে আরেকটি ছেলের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে। বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই ছাত্রীর পড়ালেখা বন্ধ করে দেন অভিভাবকরা।
গত মঙ্গলবার হোসেন তার দোকানের এক ছেলেকে পানি আনতে আলমদের টিউবওয়েলে পাঠান। পরবর্তীতে পানির জন্য বাসার ভেতরে যেতে নিষেধ করেন আইয়ুব খান। এ নিয়ে আইয়ুব খানের সাথে হোসেনের বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে আলম ক্ষুব্ধ হয়ে ভগ্নিপতি হোসেনকে মারধর করেন। হোসেন সরাইল হাসপাতালে ভর্তি হয়। গত বুধবার সকালে আলমকে হাসপাতালের সামনে পেয়ে একদল যুবককে নিয়ে এসে আলমের উপর হামলা করে হোসেন। আলমের চিৎকারে আশপাশের ব্যবসায়ী এসে আলমকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে হোসেনের লোকজন সোহেল নামের অপর এক ব্যবসায়ির উপর হামলার চেষ্টা করে। রক্তাক্ত অবস্থায় আলমকে উদ্ধার করে পথচারিরা সরাইল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ব্যাপারে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, নিজেদের মধ্যে মারামারির ঘটনা। আহত আলমের অবস্থা বেশি ভাল না। এ ঘটনায় ২ যুবককে আটক করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ