ঢাকা, সোমবার 6 August 2018, ২২ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৩ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

এনআরসি’তে আসামের প্রথম নারী মুখ্যমন্ত্রীর নাম নেই

আনোয়ারা চৌধুরী

৫ আগস্ট, সাউথ এশিয়ান মনিটর : আসামের আতঙ্কিত সংখ্যালঘুদের ভয় আরও বাড়িয়ে দিয়ে উঠে এল আসামের সাবেক মুখ্যমন্ত্রীরই নাম না থাকার তথ্য। এ ছাড়াও সদ্য প্রকাশিত জাতীয় নাগরিক পঞ্জীকরণের (এনআরসি) চূড়ান্ত খসড়া তালিকায় নাম নেই অন্তত সাতজন অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় সেনা কর্মকর্তার। এমনকি, সাবেক রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্যরাও নিজেদের নাম এনআরসিভুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছেন।দিন দিন ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মনে আতঙ্ক বাড়ছে। তবে সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। এনআরসির রাজ্য সমন্বয়ক প্রতীক হাজেলা শনিবার গুয়াহাটিতে সাংবাদিকদের জানান, সংশোধনের কাজ শেষে এ বছর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আটের দশকের গোরায় আসামের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন আনোয়ারা চৌধুরী। মুসলিম সম্প্রদায় থেকে ভারতের প্রথম নারী মুখ্যমন্ত্রী। পরে অন্যের মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব সামলেছেন। কিন্তু দেখা গেল, এনআরসির চূড়ান্ত খসড়ায় তাঁর নাম নেই। নাম নেই ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ফকিরুদ্দিন আলি আহমেদের পরিবারেরও। অকালপ্রয়াত সংগীত গবেষক কালীকাপ্রসাদ ভট্টাচার্যের পরিবারও নিজেদের ভারতীয় প্রমাণে ব্যর্থ। এমনকি, বিজেপি বিধায়ক দিলীপ পালের স্ত্রী বাদ পড়েছেন তালিকায়। দুই বিধায়কের ঠাঁই হয়নি এনআরসিতে। সাবেক সেনা কর্মকর্তা আমিনূল হক দাবি করেছেন, ভারতীয় সেনা ও বিমানসেনার অন্তত ৭ জন সাবেক অফিসারের নাম নেই। তিনি ফোন নম্বরসহ তাঁদের তালিকাও প্রকাশ করেন। শনিবার এনআরসির সমন্বয়ক প্রতীক হাজেলা জানিয়েছেন, ৭ আগস্ট থেকে আপত্তি বা অভিযোগ জানানোর ফর্ম এনআরসি সহায়তা কেন্দ্র বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। জমা দিতে হবে ৩০ আগস্ট থেকে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। একই সঙ্গে তিনি জানান, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। পূর্ণাঙ্গ সংশোধনের পরই তালিকা প্রকাশিত হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ