ঢাকা, সোমবার 6 August 2018, ২২ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৩ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চট্টগ্রামে মতবিনিময় সভায় মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

চট্টগ্রাম ব্যুরো : দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসার পাঠ্যক্রম, পাঠ্যসুচী ও পাঠ্যপুস্তক পর্যালোচনা এবং দ্বীনি শিক্ষার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শীর্ষক গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী এক মতবিনিময় সভা চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ও কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র  আ জ ম নাছির উদ্দীন উদ্বোধক ও ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ইসলামি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পটিয়া আল জামেয়াতুল ইসলামিয়ার মুহতামিম মাওলানা আবদুল হালিম বুখারী, ছোবাহানিয়া কামিল মাদ্রাসার শায়খুল হাদিস মাওলানা কাজী মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন আশরাফী, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোডের চেয়ারম্যান প্রফেসর এ কে এম ছায়েফ উল্লাহ, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি” এর চেয়ারম্যান ড. সেলিম উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান ড. কাজী শহীদুল আলম, পরিচালক জিল্লুর রহমান ও জয়নাল আবেদীন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন ইসলামের জীবন বিধান শিক্ষা ও অনুসরণের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুমনে নৈতিক গুণাবলী ও পরহেযগারি সৃষ্টি করে। তাই ইহকালীন জীবন গঠন ও পরকালীন নাজাতের স্পৃহা সৃষ্টির জন্য দারুল আরকাম শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। সিটি মেয়র বলেন, আমাদের মাতৃভাষা বাংলা। বাংলা হলেও আমরা অনেকেই আরবী পড়তে জানি। কিন্তু এর মমার্থ বুঝিনা। আরবী বুঝে বুঝে পড়া সওয়াব। এই পুণ্য অর্জনে মাতৃভাষা বাংলার পাশাপাশি কুরআন হাদীসের ভাষা শিখা ও জানা দরকার। দারুল আরকাম অর্থাৎ প্রাথমিক মাদ্রাসা শিক্ষাই দিতে পারে এর সমাধান। এই জ্ঞান অজর্নের মাধ্যমে আরবি বলা, পড়া, লেখা ও শোনার মাধ্যমে নিজে বোঝা এবং অন্যকে বোঝানোর দক্ষতা রপ্ত হয়। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন আরবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা স্বীকৃতি দেয়ার লক্ষে সরকার মাদ্রাসা বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর প্রণয়ন করেছেন। যাতে আমাদের সন্তানেরা পবিত্র কুরআন-সুন্নাহর ভিত্তিতে প্রকৃত নায়েবে রাসূল (সাঃ) তৈরী হয়। এই লক্ষে মাদ্রাসা বোর্ডের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসূচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। যাতে কোমলমতি শিশুদের শারীরিক, মানসিক, নৈতিক ও অধ্যাতিক মানস গঠনসহ তাদের মধ্যে দ্বীনি চেতনা, দেশাত্ববোধ, সামাজিকতা, সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞানমনস্কতা জাগ্রত হয়। জাতীয় ইতিহাস-ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, দেশপ্রেম ও মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনার উজ্জীবিত হয়ে সৎ, যোগ্য ও সুনাগরিক হিসাবে গড়ে উঠবে এটাই আমাদের সকলেরই প্রত্যাশা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ