ঢাকা, সোমবার 6 August 2018, ২২ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৩ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

নন্দীগ্রামে বিদ্যুৎ দেয়ার নামে ৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) সংবাদদাতা: বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিদ্যুৎ দেয়ার নাম করে ৫লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ হয়েছে। থানায় অভিযোগটি করেছে নন্দীগ্রাম উপজেলার ১নং বুড়ইল ইউনিয়নের তুলাশন গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে আলমগীর হোসেন। অভিযোগে জানা গেছে, তুলাশন গ্রামের রইচ উদ্দিনের ছেলে ইউনুস আলী, ছামেচ উদ্দিনের ছেলে ওয়াশিম আলী, কায়েম উদ্দিনের ছেলে বাচ্চু মিয়া, মজিবর রহমানের ছেলে শিপন মিয়া, মহির উদ্দিনের ছেলে আফছার আলী যোগসাজশে প্রতারণামূলকভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে গ্রাম বিদ্যুতায়নের বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার নাম করে অফিস ও ঠিকাদার খরচের জন্য ২৫০ জন গ্রাহকের নিকট থেকে বিভিন্ন সময়ে আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে। সেই টাকা ভাগবাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করেছে। অভিযোগকারী আলমগীর হোসেন বলেছে, এই বিষয়ে আমি প্রতিবাদ ও অভিযোগ করতে চাইলে তারা আমার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। এমনকি হত্যাসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি প্রদর্শন করে। এমতাবস্থায় গত ১৮ই জুলাই সকাল আনুমানিক ১০টায় স্থানীয় বাজারে তারা আমাকে হুমকি-ধমকি প্রদর্শনসহ মারপিট করার জন্য উদ্যত হয়। এরপর নিরুপায় হয়ে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। ৩০শে জুলাই থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, এই বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। এসআই জিন্নুর রহমান বিষয়টি প্রাথমিকভাবে তদন্ত করছে। বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর নন্দীগ্রাম সাব-জোনাল অফিসের এজিএম রেজাউল করিমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, তুলাশন গ্রাম বিদ্যুতায়ন উদ্বোধন করা হয়েছে কিন্তু অভিযোগের বিষয়টি আমরা জানা নেই। স্থানীয় ইউপি সদস্য ইউনুস আলীর সাথে কথা বলেলে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিলের নিরাপত্তা জামানত বাবদ ৪৫০ টাকা ও ওয়ারিং বাবদ ৫০০ টাকা করে নেয়া হয়েছে। স্থানীয় যুবক মাসুদ পারভেজ সুইট বলেছে, “শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ” কর্মসূচির আওতায় গ্রাম বিদ্যুতায়নে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। তারা সরকার বিরোধী তাই এই কাজে লিপ্ত। এদের কঠিন বিচার হওয়া দরকার। শুধু তুলাশন গ্রামেই নয়, নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রাম বিদ্যুতায়নে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার নাম করে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। এর সাথে রাঘববোয়ালরাও জড়িত রয়েছে। সে কারণে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। ইতোপূর্বে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তুমুল আলোচনা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ