ঢাকা, মঙ্গলবার 7 August 2018, ২৩ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৪ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ন্যায্য আন্দোলনে পুলিশ ও সরকারদলীয় সমর্থকদের হামলার বিচার দাবি

গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়নের প্রতিবাদ ও সংহতি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিকল্পধারার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী -সংগ্রাম

* ছাত্রদের আন্দোলন আমাদের জাতীয় ঐক্যের পথ খুলে দিয়েছে -ফখরুল
* দেশকে গুণ্ডামুক্ত করা আমাদের জাতীয় কর্তব্য -ড. কামাল
* শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণ আমাদের জন্য লজ্জার -বি. চৌধুরী
* শেখ হাসিনা  ক্ষমতা থেকে পড়ে যাওয়ার ভূত দেখছেন -মান্না
* রাষ্ট্রের মেরামত চলছে, মেরামতটা দ্রুত হওয়া প্রয়োজন -ডা. জাফরুল্লাহ
স্টাফ রিপোর্টার : ‘উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজ’ আয়োজিত শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়নের প্রতিবাদ ও সংহতি সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, ছাত্ররা চোখে আঙুল দিয়ে সড়ক পরিবহনে অনিয়মের বাস্তবতা তুলে ধরেছে। ন্যায্য আন্দোলনে পুলিশ ও সরকারদলীয় সমর্থকদের হামলায় ক্ষোভ প্রকাশ করে হামলার বিচার দাবি করেন তাঁরা। সরকারের অন্যায় আচরণের প্রতিবাদে দেশবাসীকে সোচ্চার হতে আহ্বান জানান তারা। গতকাল সোমবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
এতে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামা শিক্ষার্থীরা চোখ খুলে দিয়েছে। তিনি বলেন বর্তমান পরিস্থিতি বহু দিনের চেষ্টার জাতীয় ঐক্যের পথ খুলে দিয়েছে। আমরা আছি আমাদের ছেলে- মেয়েদের সঙ্গে। ইনশাল্লাহ আমরা ঐক্যবদ্ধ হব এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে দানব সরকারকে সরাব।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পরদিন থেকে ‘নিরাপদ সড়ক’ এর দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ছাত্রদের আন্দোলন অত্যন্ত সুন্দর, সুশৃঙ্খল। তাদের একটি ব্যানার খুব ভালো লেগেছে আমার, যেখানে লেখা, ‘রাস্তা বন্ধ। রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চলছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখিত। ছেলেরা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব  বলেন, আওয়ামী লীগ একটি সংগ্রামী দল। আজ সে দলটিই ছেলেদের উপর গুণ্ডা লেলিয়ে দিয়েছে। ছাত্রলীগ দিয়ে আক্রমণ করেছে। আজকের পত্রিকায় সব এসেছে। কারও মায়ের বুক খালি দেখতে চাই না বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে আহ্বান জানিয়েছেন, তাকে হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও হুমকি দিয়েছেন। এর পরপরই আক্রমণ হয়েছে ছেলেদের উপর। অনেকের বাসায় বাসায় হুমকি দিচ্ছে। প্রত্যেক জেলায় গ্রেপ্তার শুরু হয়েছে। যারা এই আন্দোলনে সংগঠক হিসেবে কাজ করছে তাদের গ্রেপ্তার করছে।
বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, আমাদের উপর দানব সরকার চেপে বসেছে ৷ এই দানব সরকার থেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে রক্ষা করতে হবে। এটা কোনো বিচ্ছিন্ন সমস্যা নয়। এটি বড় সমস্যা।
রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে জননেত্রী পরিষদ নামে একটি সংগঠনের নেতা এ বি সিদ্দিকের মামলার আবেদন করা নিয়েও কথা বলেন ফখরুল। বলেন, এসব মামলাকে পরোয়া করি না। আমাদের অনেক নেতার বিরুদ্ধে একশ’র উপর মামলা। আমার বিরুদ্ধে ছিয়াশি ছাড়িয়ে গেছে। আমরা অনেক নির্যাতিত হয়েছি। অনেকবার কারাগারে গিয়েছি। মামলা এখন কোনো ব্যাপার নয়। মূল ব্যাপার হলো, আমরা আমাদের ছেলে-মেয়েদের জন্য নিরাপদ রাষ্ট্র রেখে যেতে পারব কি না সেটিই ভাবনার। এটি করা আমাদের কর্তব্য।
দেশে গণতন্ত্র নেই, গুণ্ডাতন্ত্র আছে মন্তব্য করে সংবিধান প্রণেতা এবং গণফোরাম সভাপতি  ড. কামাল হোসেন বলেন,  দেশে কোনও গণতন্ত্র নেই, আছে গুণ্ডাতন্ত্র। আমাদের জীবনের বিনিময়ে হলোও গুণ্ডাতন্ত্র মুক্ত হোক।  আমি এই গুণ্ডাতন্ত্রের মধ্যে বেঁচে থাকতে চাই না। আমি চাই যে আমাকে গুলী করে মারা হোক। তাহলে বলতে তো পারবো, গুণ্ডাতন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে মারা গিয়েছি।
ড. কামাল হোসেন বলেন,  যে দেশে স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাজউদ্দিন আহমদকে জীবন দিতে হয়েছে, সেই বাংলাদেশে গুণ্ডাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমি এই গু-াতন্ত্রের মধ্যে বেঁচে থাকতে চাই না। কারণ, যে দেশের জন্য লাখো শহীদ জীবন দিয়েছে, যাদের লাশও আমরা পাইনি। তারা আমাদের ঋণী রেখে গেছেন। তারা একটা দেশ রেখে গেছেন যেখানে সভ্যতা থাকবে। মানুষ মানবাধিকার ভোগ করবে। সেখানে গু-াতন্ত্র থাকা মানে তাদেরকে অপমান করা।
 দেশে অসুস্থ শাসন ব্যবস্থা চলছে দাবি করে এই সিনিয়র আইন বিশেষজ্ঞ বলেন, এই কারণে বলবো যে,এটা অসুস্থ শাসন ব্যবস্থা। কারণ, এই তরুণ ছাত্রদের সাহায্য না করে তাদের ওপরে গুণ্ডা লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তরুণ ছাত্ররা যা দেখালো তা হলো জাগ্রত বিবেক। তা এখনও আমাদের মধ্যে আছে, যা প্রবলভাবে গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। কোনও অস্ত্র নাই তাদের কাছে।
তিনি আরও বলেন, যারা লাঠি ও অস্ত্র নিয়ে মাঠে নেমেছে, তাদেরকে কোনও ছাত্র সংগঠন বলবো না। এদের একটাই শব্দ আছে- তা হলো গুণ্ডা। যারা লাঠি নিয়ে নিরীহ মানুষের ওপর হামলা করে, তাদেরকে আমরা গু-া ছাড়া আর কোনোভাবে চিহ্নিত করতে পারি না।
গুণ্ডামুক্ত বাংলাদেশ চাই উল্লেখ করে কামাল হোসেন বলেন, এদের থেকে দেশকে মুক্ত করা আমাদের জাতীয় কর্তব্য। এরা থাকলে আমরা থাকতে পারবো না। সম্মান নিয়ে বাঁচা তো দূরের কথা, বেঁচেও থাকতে পারবো না। এই গু-াদের কারা লেলিয়ে দিয়েছে,তা চিহ্নিত করতে হবে।
আগস্ট মাসে বঙ্গবন্ধুকে অপমান করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন কামাল হোসেন। তিনি বলেন,এই মাসে গু-ারা লাঠি নিয়ে নিরীহ মানুষের ওপর হামলা করছে। এটা কি বঙ্গবন্ধুকে সম্মান জানানোর প্রক্রিয়া? উনার ছবি লাগালেই সম্মান জানানো হয় না। বঙ্গবন্ধু জীবনের বিনিময়ে যে সভ্যতা আমাদের মধ্যে রেখে গেছেন, সেই সভ্যতার বিরুদ্ধে আজকে গুণ্ডা লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। চলেন, আমরা রাস্তায় নামি। দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আছে জানিয়ে কামাল হোসেন বলেন, এই ঐক্যবদ্ধ মানুষের ওপর গুণ্ডা লেলিয়ে দিয়ে ধ্বংস করা যাবে না বলে আমরা বিশ্বাস। আমাদের গুলি করে মেরে ফেলা হলেও এটা শেষ হবে না। এটা আরও চাঙা হবে। আমরা ভয়ে ভীত নই। মেরে ফেলেন। সংবিধানকে ছিঁড়ে ফেলে দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন এই সংবিধান বিশেষজ্ঞ।
তিনি বলেন, সংবিধানের কোথাও লেখা আছে যে, পুলিশের পাশে লাঠিয়াল থাকবে।  পুলিশের পাশে থেকে লাঠিয়াল বাহিনী বেআইনিভাবে নিরীহ মানুষের ওপর আক্রমণ করবে। আর পুলিশ এদের সহযোগী হবে। এটা পুলিশকে অপমান করা এবং তাদেরকে ধ্বংস করা।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের আইজি কোনও সরকারের চাকর নয়। তিনি রাষ্ট্রের দায়িত্বে আছেন। সংবিধান অনুযায়ী আপনার দায়িত্ব হলো গুণ্ডাদের পাশে পুলিশকে দাঁড়াতে দেবেন না। কেউ হুকুম করলেও আইজি তা করতে পারেন না। পারলে আপনার চেয়ারের পাশে একজন গুণ্ডাকে বসান।  হয় আপনি নিজের দায়িত্ব পালন করুন, না হয় পদত্যাগ করুন। আমি আপনাকে পদত্যাগ করতে বলতে চাই না। কারণ, আপনার একটা সুনাম আছে। তাই বলবো, সুনাম নষ্ট করবেন না, দায়িত্ব পালন করুন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের উপর সরকারি দলের গুণ্ডারা আক্রমণ করছে, এটা আমাদের জন্য খুবই লজ্জার। শিক্ষার্থীরা বলছে, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। প্রতিটি পদক্ষেপ যখন জাস্টিসের বদলে অন্যায় হয়ে যাচ্ছে, অবিচার যখন আইন হয়ে যায়, রুখে দাঁড়ানো তখন কর্তব্য হয়ে পড়ে। আমরা সবাই মিলে যদি এর প্রতিবাদ না করি, এক কণ্ঠে যদি কথা না বলি, তাহলে মনে হয় না এই সরকার বুঝবে। এই সরকার বোঝার মতো সরকার নয়। কারণ তাদের মূল শক্তি ইনজাস্টিসের ভিত্তিতে।
বি চৌধুরী বলেন, আমরা প্রতিবাদ করবোই। আমার সন্তানদের হত্যা করার অধিকার কারও নাই, গুণ্ডাদের নাই, পুলিশের নাই এবং এই সরকারেরও নাই। এটা তাদের উপলব্ধি করতে হবে। পরিবর্তন আনতেই হবে। শুভ পরিবর্তন আমরা চাই। এমন পরিবর্তন আনতে হবে যে পরিবর্তন সম্পূর্ণ আলাদা। আমরা শুভ পরিবর্তনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি, সেখানে আমরা একসঙ্গে দাঁড়াব।
তিনি বলেন,  দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সারা জাতি উদ্বিগ্ন। সরকারি গুন্ডা ও পুলিশ বাহিনী সাধারণ ছাত্রদের ওপর হামলা চালিয়েছে। দা-লাঠি নিয়ে তাদের ওপর হামলা করেছে। আমাদের ছাত্রদের ওপর হামলা করার অধিকার কারো নেই। তিনি বলেন, শুধুমাত্র দেশপ্রেমের ভিত্তিতে তারা রাস্তায় নেমেছে।
যারাই এ আন্দোলনে সমর্থন দিচ্ছে তাদের বলা হচ্ছে রাজনীতি করা হচ্ছে। রাজনীতিতো করবেই। দেশে কি রাজনীতি নিষিদ্ধ? এখন পুলিশ তোড়জোড় করে ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করছে। পুলিশ আগে ঠিক করুক তাদের লাইসেন্স আছে কি-না? এখন ১৪ দল ক্ষমতায়। অথচ তাদের মধ্যে ভারসাম্য নেই বলে আওয়ামী লীগ যা ইচ্ছা তাই করছে।
তিনি আরও বলেন, রোববার এবং আগের দিনের হামলা সরকারি দলের লোকেরাই করেছে। পুলিশ এর সহায়তায় তারা হামলা চালিয়েছে। এই কোমলমতি শিশুদের আন্দোলনে সবাই সমর্থন দিচ্ছে কিন্তু আমরা সমর্থন দিলেই এটি হয়ে যায় রাজনীতি। দেশের জন্য আমাদের সকলকে একসাথে দাঁড়াতে হবে এবং রাষ্ট্রের সংস্কার করতে হবে। বরুদ্দোজা চৌধুরী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আপনি ভুলে গেছেন, আপনি এখনও প্রধানমন্ত্রী। আপনি শিক্ষার্থীদের মা। আপনি ইচ্ছা করলেই তাদের দাবিগুলো মেনে নিতে পারেন।
বি. চৗধুরী বলেন, ছাত্ররা ন্যায়বিচার চেয়েছে। কিন্তু সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপ ন্যায়ের বদলে অন্যায় হয়ে যাচ্ছে। সরকারি দলের গুন্ডারা ছাত্রদের ওপর হামলা করেছে। একজন মা হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কি এতে উদ্বিগ্ন হবেন না? ভারসাম্যের রাজনীতি ছাড়া দেশের সংকটের সমাধান হবে না।
নাগরিক ঐক্যের মান্না বলেন, আজকে শপথ নেওয়ার দিন। আমরা এই রাষ্ট্রকে মেরামত করতে চাই। যেরকম মেরামত আমাদের শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীরা চাইছে। আমরা কি পারি? অবশ্যই পারি। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে মান্না বলেন, পরশুদিন  উনি (প্রধানমন্ত্রী) বক্তৃতায় বললেন, এই আন্দোলনের মধ্যে তৃতীয় পক্ষের হাত দেখছি।  তৃতীয় পক্ষ কে ? মানে যারা আন্দোলন করছে, তারা একটা পক্ষ, উনি এবং সরকার আরেকটা পক্ষ। আমি একদিন টেলিভিশনে দেখলাম, একজন মা একটা কাঁঠাল নিয়ে তা ভেঙে একটা একটা করে কোয়া কিশোরদের হাতে হাতে দিচ্ছেন। এর চাইতে বড় তৃতীয় পক্ষ আমি তো দেখছি না। তৃতীয় পক্ষ বলতে অন্য কোনো পক্ষ নাই।
মান্না বলেন, কাল মার্কস বলেছিলেন, উনারা ভূত দেখছে, সমাজতন্ত্রের ভূত। আর বাংলাদেশে দেখি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূত দেখছেন ক্ষমতা থেকে পড়ে যাওয়ার ভূত। যখন-তখন পড়ে যেতে পারেন- এরকম ভয় পেয়ে উনি ছায়াকে কায়া মনে করছেন, কায়াকে ছায়া মনে করছেন। ছাত্রদের ওপর হামলা করলে তাদের অভিভাবক ও সচেতন মানুষ রাস্তায় নামবেই, এতে তৃতীয় পক্ষ খোঁজার কিছু নেই। বিনা ভোটে আবার ক্ষমতায় যেতে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের মেরামত চলছে, মেরামতটা দ্রুত হওয়া প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে ‘উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজ’র পক্ষ থেকে গণপরিবহনের নৈরাজ্য বন্ধে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে  ৯ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলের সঞ্চালনায় সংগতি সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর সালেহ উদ্দীন আহমেদ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহীম, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মাদ মুনসুর, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা সাবেক সাংসদ এস এম আকরাম প্রমুখ।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামিমুর রহমান প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ