ঢাকা, মঙ্গলবার 7 August 2018, ২৩ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৪ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

যথাযোগ্য মর্যাদায় রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

স্টাফ রিপোর্টার : যথাযথ মর্যাদায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।  কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করে। আলোচনা সভা, একক বক্তৃতা, সেমিনার, রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন, নৃত্যনাট্য, কবিতা আবৃত্তি’ অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে বিশ্বকবিকে স্মরণ করেছে প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলো।
বাংলা একাডেমি কবির ৭৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে জাতীয় অধ্যাপক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি ড. আনিসুজ্জামান বলেন, রবীন্দ্রনাথ বাঙালি জাতির জীবনে চিরকালের সাথী হয়ে আছেন। তিনি চেয়েছিলন অসাম্প্রদায়িক দেশ ও সমাজ ব্যবস্থা। আমাদের জীবনের শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি, সংগীত, নাটক, চলচ্চিত্র, চিত্রকর্মসহ নানা বিষয়ে কবি লিখেছেন। রবীন্দ্রনাথের প্রাসঙ্গিকতা আমাদের জীবনে চিরকালই থাকবে।
বাংলা একাডেমির আবুদল করিম সাহিত্য বিষারদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় ‘আজকের বিশ্বে রবীন্দ্রসৃজনের প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক একক বক্তৃতা করেন নাট্য ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক আনোয়ার হোসেন।
আলোচনা সভা শেষে গীতিআলেখ্য ‘ওই পোহাইল তিমির রাতি ’ পরিবেশন করে গানের দল ‘রক্ত করবী’র শিল্পীরা।
নাট্যজন আতাউর রহমান বলেন, রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি ও জীবনের সারৎসার আজকের বিশ্বের মাঝে ছড়িয়ে আছে। কবির এই বিচরণ কখনও শেষ হবে না। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন সাহসী সঙ্গী। সাধারণ মানুষের সাথে মিশে কবি তাদের জীবনের সব কিছুকেই তার শিল্প-সাহিত্যে তুলে ধরেন।
দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। একাডেমির শিল্পীরা রবীন্দ্র সংগীত , নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তিতে অংশ নেন। এ ছাড়াও নগরীতে ছায়ানট, জাতীয় জাদুঘর, শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন সংগঠন কবি স্বরণে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে দিবসটি পালন করে। বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি বিভিন্ন টিভি চ্যানেল কবিগুরু স্মরণে বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচার করে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ