ঢাকা, মঙ্গলবার 7 August 2018, ২৩ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৪ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

“নির্বাচন”

মোরশেদা সম্পা : “তোমাদের তথায় যদি তিনজন থাকো তবে একজনকে আমির বা নেতা নির্বাচন করে নাও।”  (আল হাদিস)
নেতা বা নেতৃত্ব নির্বাচন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন বিষয়।
কারণ একজন নেতা একটি দেশ।
একটি সমাজকে সামনে বা পিছনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য শতভাগ দায়ভার বহন করে থাকে।
কুরআন - হাদীসের আলোকে নেতৃত্ব নির্বাচনে সর্বাধিক যোগ্য ব্যাক্তিকে বাছাই করা।
.......................
রাসূল (সা:) বলেন,
যে সেনাবাহিনীতে  এমন ব্যক্তিকে নেতা নির্বাচন করলো,যার চাইতে সেনাবাহিনীতে  আরো যোগ্যতর ব্যক্তি রয়েছে, সে আল্লাহ ও রাসূলের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলো।
তবে নেতৃত্ব চাওয়ার বিষয় নয়, আর যে চাইবে সে সবচেয়ে বেশি অযোগ্য।
নেতা নির্বাচনের বিশেষ দিক লক্ষ্যনীয় :
# তাকওয়া, সততা
# ন্যায়পরায়ণতা
# জ্ঞান, প্রজ্ঞা
# ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার মানসিকতা
 # সচ্ছতা, জবাবদিহিতা।
# আল্লাহর আইন ও বিধান পরিপূর্ণ জ্ঞান রাখে।
অপরদিকে ইসলামি পরিপন্থি যতই যোগ্য হোক না কেনো তাকে নির্বাচন করা যাবে না।
সর্বোপরি সময়ে এখন নির্বাচনের-
হরতাল, অবোরোধ, প্রাথী, ভোট প্রদান করা,/ না করা সব বিষয় রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
তবে প্রতিটি দেশের বা জাতির কল্যাণ, অকল্যাণ অনেকটাই নির্ভর করে দেশবাসী কিংবা সে জাতি কাদেরকে তাদের শাসক হিসেবে নির্বাচিত করেছে তার উপর।
 “আসমান যমীনের নিরংকুশ সার্বভৌম মালিকানা একমাত্র তার, সব ব্যাপারে ফায়সালার জন্য তার কাছে ফিরে যেতে হবে।” (আল হাদিদ-৫)
 প্রকৃত মুসলিম হিসেবে  আমাদের করণীয় যথাসম্ভব সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহনের মাধ্যমে দেশকে কল্যাণের দিকে নিয়ে যাওয়া।
আল্লাহ  এই যমীনের জন্যে একজন ওমর দান করুন।।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ