ঢাকা, মঙ্গলবার 7 August 2018, ২৩ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৪ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে সুন্দরগঞ্জের এসএও কোয়ার্টারগুলো ব্যবহারের অযোগ্য

গাইবান্ধা সংবাদদাতা : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পরিত্যক্ত এসএও কোয়ার্টারগুলো দীর্ঘদিন ধরে মেরামত, সংস্কার ও  সংরক্ষণ না করায়  ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
পাশাপাশি কোয়ার্টারগুলো এখন অসামাজিক কার্যকলাপের আড্ডা খানায় পরিণত হয়েছে। কোন প্রকার তদারকি না থাকায় কোয়ার্টারের দালান ঘর এবং জায়গা জমি বেহাত হয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন। উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় আশির দশকে কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে নির্মাণ করা হয় বিএস (এসএও) কোয়ার্টারগুলো। সেই সময় কোয়ার্টারগুলো ব্যবহার করতেন কৃষি অধিদপ্তরের ব্লক সুপারভাইজারগণ (বিএস)। বর্তমানে তাদেরকে বলা হচ্ছে উপ-সহকারি কৃষি অফিসার।
দিনের পর দিন কোয়ার্টারগুলো পুনঃমেরামত, সংস্কার  এবং তদারকি না করায় বর্তমানে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তিরা দিন-দিন কোয়ার্টারের জায়গা জমি বেদখল এবং ঘরের ইট খুলে নিয়ে যাচ্ছে। কৃষিতে বাংলাদেশ স্বয়ং সম্পূর্ণ হলেও মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের কোন প্রকার অফিস নেই। ইদানীং ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারি কৃষি অফিসারদের জন্য একটি রুম বরাদ্দ দেয়া হলেও সেখানে নেই আসবাবপত্র। যার কারণে কৃষকদের সেবা প্রদানে সমস্যা হচ্ছে। শান্তিরাম ইউনিয়নের উপ-সহকারি কৃষি অফিসার নুরুল হুদা জানান, কৃষকরা এখন অল্প জমিতে একাধিক ফসল ফলানোর জন্য সব সময় তাদের কাছে পরামর্শ নিয়ে থাকেন।
ইউনিয়ন পর্যায়ে কোন অফিস না থাকায় মাঠে-মাঠে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ এমনকি প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হচ্ছে। সে কারণে এসএও কোয়ার্টারগুলো মেরামত ও সংস্কার করা একান্ত প্রয়োজন।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাশেদুল ইসলাম জানান, কৃষকদের গুণগতমান সম্পন্ন ফসল উৎপাদনের জন্য পরামর্শ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হলে মাঠ পর্যায়ের অফিসারদের অফিস থাকা দরকার। এতে করে কাজের মান আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন, কোয়ার্টারগুলো সংস্কারের অভাবে ব্যবহার না করায় বর্তমানে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ