ঢাকা, বুধবার 8 August 2018, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৫ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বাংলা নাটক ও প্রাক যুগের মুসলমান নাট্যকার

মোঃ জোবায়ের আলী জুয়েল : আমাদের দেশে বাংলা নাটকের উদ্ভব সাহিত্যের সঙ্গে আমাদের প্রত্যক্ষ সংযোগের ফলেই। বহুযুগ পূর্বে এদেশে সংস্কৃত নাটক ছিল কিন্তু সংস্কৃত নাটকের সঙ্গে উনবিংশ শতাব্দীর নব উদ্ভূত নাট্যকলার কোন সম্পর্ক নির্ণয় করা যায় না।
তবে আমাদের দেশে যাত্রা ছিল এবং এ যাত্রা ছিল বহু প্রাচীন কাল থেকেই। অনেকে মনে করে থাকেন সে কালের যাত্রা থেকে বুঝি একালের নাটকের সৃষ্টি হয়েছে। এ ধারণাও ভ্রমাত্মক। মঙ্গলগান, লোকসঙ্গীত ও পালাগান যুগে যুগে বাংলার জনসাধারণের প্রাণকে উৎফুল্ল রেখেছিল। এ সমস্ত উৎসব থেকেই ক্রমান্বয়ে যাত্রার উদ্ভব হয়েছে। কবি গান, পাঁচালি, কথকতা, টপ্পা, কীর্তণ এবং হাফ আখ্ড়াই ছিল যাত্রার বিভিন্ন অঙ্গ।
একটি কথা আমাদের স্মরণ রাখা কর্তব্য যে আধুনিক বাংলা নাটক যাত্রার সংশোধিত এবং মার্জিত রূপ নয়। কলকাতায় সর্ব প্রথম যে, ষ্টেজ বা থিয়েটার প্রতিষ্ঠিত হয় তা ইংরেজি নাটক অভিনয়ের উদ্দেশ্যে। ১৭৫৩ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার ওল্ড কোর্ট হাউজের নিকট ইংরেজদের সর্বপ্রথম একটি রঙ্গালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলা রঙ্গমঞ্চ প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় ১৭৯৫ খ্রিষ্টাব্দে। প্রতিষ্ঠা করেন রুশ দেশীয় পরিব্রাজক হেরাসিম লেবেডেফ। হেরাসিম লেবেডেফ কলকাতার ডুমতলায় (বর্তমানে এজরা ষ্ট্রীটে) “বেঙ্গলী থিয়েটার” নামে একটি নাট্যশালা প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর এদেশীয় ভাষা-শিক্ষক গোলকনাথ দাসের সাহায্যে তিনি দুটি ইংরেজি প্রহসন বাংলাতে অনুবাদ করেন ১৭৯৫ খ্রিষ্টাব্দের শেষ পাদে-“The Disguise” Ges æLove is the Best Doctor”।
এরপর বাংলা নাটক সম্পর্কে দীর্ঘদিন কোন কথা আর জানতে পারা যায় নাই। প্রথম প্রহসনের অনুবাদ এবং নাট্যশালা স্থাপন ছাড়াও লেবেডেফের অন্য এক কীর্তি বাংলা শুভঙ্করী এবং ভারত চন্দ্রের “বিদ্যাসুন্দরের” রুশ ভাষায় অনুবাদ।
সত্য কথা বলতে কী ষ্টেজ বা রঙ্গমঞ্চের অভাবেই সেকালের নাটক সম্পূর্ণতা লাভ করতে পারে নাই। তাই সে সময় ধনীর গৃহে সখের নাট্যশালার সৃষ্টি হতে লাগলো।
বাংলা নাটকের প্রথম সুত্রপাত হয় ষ্টেজ বা রঙ্গমঞ্চ প্রবর্তণের মধ্য দিয়ে। প্রথমে যে নাট্যশালা আমর পেলাম তা’হলো প্রসন্ন কুমার ঠাকুর কর্তৃক “হিন্দু থিয়েটার” ১৮৩১ খ্রিষ্টাব্দে এটি কলকাতায় সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। শ্যামবাজারে নবীন বসূর বাড়ীতে ১৮৩৫ খ্রিষ্টাব্দে যে নাট্যশালা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সেখানে বাংলা নাটকের অভিনয় করানো হয়েছিল ভবভূতি দাসের “উত্তম রাম চরিতে”র বঙ্গানুবাদ দিয়ে এবং কালিদাসের “শকুন্তলা” নাটকের বঙ্গানুবাদ দিয়ে।
বাংলা সাহিত্যের আধুনিক আর্দশের সর্বপ্রথম নাটক কোনটি এ নিয়ে যথেষ্ট মতানৈক্য রয়েছে। অনেকে মনে করে থাকেন তাঁরাচরণ শিকদার প্রনীত “ভদ্রার্জুন” (১৮৫২ খ্রি.) ও যোগেন্দ্র চন্দ্র গুপ্তের “কীর্তি বিলাস” (১৮৫২ খ্রি.) আমাদের বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম নাটক।
ভদ্রার্জুন (১৮৫২ খ্রি.) অংশত গদ্যে এবং বেশির ভাগ পয়ারে বা পদ্যে রচিত হয়েছিল বলে এটাকে অনেকেই যাত্রারই সগোত্র মনে করে থাকেন। তবে এক্ষেত্রে যাই হোক পন্ডিত রাম নারায়ণ তর্করতেœর (১৮২৩-১৮৮৫ খ্রি.) “কুলীনকূল সর্বস্ব” কেই আমরা  বাংলা ভাষার সর্ব প্রথম নাটক বলে দাবি করতে পারি। এর রচনাকাল ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক মাইকেল মধুসূদন দত্তের “শর্মিষ্ঠা” (১৮৫৯ খ্রি.)। “কৃষ্ণ কুমারী” (১৮৬১ খ্রি.) মধুসূদনের সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডী নাটক। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক কমেডি নাটক ও মাইকেল মধুসূদন দত্তের “পদ্মাবতী” (১৮৬০ খ্রি.)। মধুসূদনের দু’টি প্রহসন একেই কি বলে সভ্যতা (১৮৬০ খ্রি.) এবং বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ (১৮৬০ খ্রি.) সেকালের প্রশংসনীয় সৃষ্টি।
মুসলমান রচিত প্রথম সামাজিক নাটক গোলাম হোসেন রচিত “হাড় জ্বালানী” ১৮৬৪ খ্রিষ্টাব্দে মুদ্রিত হয়। গ্রন্থটি পূর্ণাঙ্গ নাটক নয়। নাট্য রীতিতে সংলাপের মাধ্যমে কয়েকটি সামাজিক চিত্র কেরীর “কথোপকথন” অবলম্বন করে গ্রন্থটির সংলাপ সজ্জিত হয়েছে। শাশুড়ী বউয়ের ঝগড়া চিরন্তন। এই চিরন্তন বিষয় নিয়ে এ ক্ষুদ্র নাটকটি রচিত। মুসলমান রচিত গদ্য পুস্তকের প্রথম নিদর্শন হিসেবে গ্রন্থটির যথেষ্ট ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে। প্রায় একই সময়ে রচিত সেখ আজিমদ্দীর “কড়ির মাথায় বুড়োর বিয়ে” একটি বাংলা প্রহসন। প্রহসণটির দ্বিতীয় সংস্করণ মুদ্রিত হয় ১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে। প্রথম সংস্করণে সঠিক তারিখ জানা যায়নি। গদ্য ও পদ্য মিশ্রিত ভাষায় প্রহসণটি রচিত। প্রহসণটিতে সমাজ সচেতনতার ছাপ রয়েছে।
শিমুয়েল পিরক্স আরো একজন প্রথম যুগের মুসলমান নাট্যকার ছিলেন। তাঁর জীবন সম্পর্কে কিছুই জানা যায় না। নাম দৃষ্টে মনে হয় যে ভদ্রলোক এক সময় মুসলামন ছিলেন পরে ধর্ম ত্যাগ করেন। তাঁর খ্রিষ্টান হওয়ার সার্থকতার পরিচয় পাওয়া যায় খ্রিষ্টীয় “গীত সংহিতার” একটি সংস্করণ সম্পাদনা করার মধ্য দিয়ে। পিরবক্স “বিধবা বিরহ” নাটক নামে একটি সামাজিক নক্সা জাতীয় নাটক রচনা করেছিলেন। নাটকটি ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়। বিধবা বিবাহের উদ্দেশ্য নিয়ে নাটকটি রচিত। ছয় অঙ্কে সমাপ্ত নাটকটিতে তৎকালীন হিন্দু সমাজ-জীবনের যে চিত্র পরিস্ফুট হয়েছে, তাতে বাস্তব-সচেতনতা অসঙ্কোচে প্রকাশ পেয়েছে। নাটকের বিধবা নায়িকা মনো মোহিনী তাঁর অতিবৃদ্ধ কামাতুর পিতার বিবাহ প্রবৃত্তি দেখে এবং আপন যৌবনের ব্যর্থতার কথা ভেবে অসহিষ্ণু হয়ে কুলত্যাগ করে। এ ঘটনাটিকেই পল্লবিত করে নাটকটি রচিত হয়েছে।
নাট্যকার স্থানে স্থানে সংলাপ রচনার দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। কথা-বাচনভঙ্গী মার্জিত রূপেই স্থান পেয়েছে।
বাংলা সাহিত্যের খাতিমান এবং প্রতিষ্ঠিত গদ্যশিল্পী মীর মর্শারফ হোসেন একাধিক বাংলা নাটক রচনা করেছেন। তার সর্ব প্রথম নাটক “বসন্ত কুমারী” নাটক প্রথম প্রকাশিত হয়। ‘‘বসন্ত কুমারী’’ ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত যোগেন্দ্র চন্দ্র গুপ্তের “কীর্তিবিলাস” নাটকের ছাপ আছে। কিন্তু কীর্তিবিলাসের তুলনায়ে “বসন্ত কুমারী” নাটক অনেক বেশি সংযত সৃষ্টি। “বসন্ত কুমারী” নাটকের সংলাপে কথ্য ভঙ্গীর প্রয়োগ চরিত্র  গুলিকে স্বাভাবিক ও সহজতর করেছে।
একটি উদাহরণ দিলেই তো জানা যাবে “প্রিয়ম্বদ। ফুল দেখ্লে মন খুশী হয় এও কি একটা কথা। কোথায় ফুল আর কোথায় মন! সন্বন্ধ ও ভাারি ! কী মজার কথা, ছোঁবনা, খাবনা, দেখেই খুশী এমন মনকে আর কি বলব মহারাজ!........ দেখুন এই উদর, এই অর্থ ভান্ডার, ইনি পূর্ণ থাকলে ফুল না সুঁকলেও মন খুশী হয়। ............... সে কি মহারাজ? বলেন কি? কিসের বয়েস? আপনার চুল পাকছে? কই আমিত একটা পাকা চুলও দেখতে পাইনে।”
মীর মর্শারফ হোসেনের দ্বিতীয় নাটক “জমিদার দর্পন” ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়্ এর তেরো বছর পূর্বে দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পন (১৮৬০খ্রি) নাটক প্রকাশিত হয়েছিল। নামকরণের সাদৃশ্য থাকলেও বিষয়বস্তু এবং ঘটনা সংস্থানের দিক থেকে পার্থক্য রয়েছে। মীর মর্শারফ হোসেন জমিদারী সেরেস্তায় কর্ম করতেন এবং সে কারণেই তিনি জমিদারদের অনেক অত্যাচারের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন। তৎকালীন সমাজে জমিদাররা যথেষ্ট প্রভাবশালী ছিল। তাই সে সময় জমিদারদের বিরুদ্ধে কোনও কিছু লিখবার মধ্যে দুঃসাহসিকতার পরিচয় আছে। “জমিদার দর্পণ” নাটকের মূল কাহিনী হলো- হাওয়ান আলী একজন উচ্ছৃঙ্খল প্রকৃতির জমিদার। স্বেচ্ছাচারিতায় তার আনন্দ। প্রজা আবু মোল্লার যুবতী স্ত্রী নুরুন্নেহারকে লাভ করবার তার প্রবল ইচ্ছা। বলপূর্বক নুরুন্নেহারকে হাওয়ান আলী নিজ বৈঠক খানায় নিয়ে আসে। নুরুন্নেহার তার সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করে তার নারী ধর্ম রক্ষা করে কিন্তু প্রাণ রক্ষা করতে পারেনা। জমিদারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ হলো বটে কিন্তু উৎকোচের দ্বারা সাক্ষী বশ করে জমিদার মুক্তি পেলো। নুরুন্নেহার স্বামী আবু মোল্লা স্ত্রীর শোকে উন্মাদ হয়ে গ্রাম ত্যাগ করলো।
মীর মর্শারফ হোসেনের রচিত অন্য দুটি উল্লেখযোগ্য নাটক হলো “বেহুলা গীতাভিনয়” (১৮৮৯খ্রি.) এবং “এর উপায় কি” (১৮৭৬খ্রি.) নামক একটি প্রহসন।

রঙ্কিমচন্দ্র “বঙ্গদর্শণ” পত্রিকায় (ভাদ্র ১২৮০ বঙ্গাব্দ) মীর মর্শারফ হোসেনের “জমিদার দর্পন” (১৮৭৩খ্রি.) এর ভাষার প্রশংসা করেছেন।
প্রাক যুগে আরেকজন মুসলমান নাট্যকার ছিলেন মুহাম্মদ আবদুল করিম। তার জন্ম ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে। মৃত্যু তারিখ জানা যায়নি। আবদুল করিম “জগৎ মোহিনী” নামে একটি নাটক রচনা করেছিলেন। নাটকটির পঞ্চাংক। ১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর এ নাটকটি প্রকাশিত হয়। নাটকটির মূল অংশ এখানে তুলে ধরা হলো-বিমান নগরের রাজা কালীকান্ত নামে একমাত্র পুত্র কর্ণ নাটের রাজপুত্র রজনী কান্তের সঙ্গে শত্রু অধিকৃত কর্ণনাট রাজ্য উদ্ধারের জন্য গিয়েছিলেন চৌদ্দ বছর আগে। বর্তমানে তার কোনও সংবাদ নেই। রাজকন্যা বিলাসবতী রাজগৃহে একাকিনী সময়ক্ষেপন করছেন বিবাহের অপেক্ষায়। এসময় বিমান নগরে এক তাম্বুল কারিনীর আবির্ভাব ঘটে। তাম্বুলকারিণীর রূপে রাজা মুগ্ধ হলেন এভাবে দেশে এক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলো। তারপর অনেক জটিলতার সৃষ্টি হলো। সর্বশেষে চন্দ্রকান্ত ফিরে এলেন এবং তখন আবিস্কৃত হলো যে তাম্বুলকারিনী তারই স্ত্রী জগৎ মোহিনী। একই সঙ্গে রজনীকান্তও ফিরে এসেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বিয়ে হলো বিলাসবতীর।
একটি নাটক অভিনয় এবং চরিত্র বিকাশের প্রয়োজনে যতটা কাহিনী বহন করতে পারে “জগৎ মোহিনী” নাটকটির কাহিনী তাঁর চেয়ে অনেক বেশি গুরু ভার। তা’ছাড়া অধিকাংশ ঘটনাই পাত্র-পাত্রীর মুখে বর্ণিত হয়েছে। “জগৎ মোহিনী” (১৮৭৫খ্রি.) আব্দুল করিমের একমাত্র নাটক।
মীর মর্শারফ হোসেনের সম সাময়িক অন্য আরো একজন মুসলমান নাট্যকারের সন্ধান পাওয়া গেছে তার নাম কাদের আলী “মোহিনী প্রেম-পাশ নাটক” (১২৮৭ বঙ্গাব্দ) ১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দ তার একমাত্র নাটক। উনিশ শতকের হিন্দু জমিদার গৃহের একটি কাহিনী অবলম্বনে তাঁর নাটকের উপজীব্য। স্ত্রী পরমা সুন্দরী কিন্তু স্বামী রূপবান নয়। এ হেন স্বামীর প্রতি স্ত্রীর চিত্তে অনাসক্তি জেগেছে। অল্প কালের জন্য অন্য পুরুষের প্রতি স্ত্রীর আসক্তিও জেগেছে। অবশেষে সব অবসান ঘটিয়ে জটিলতা দূরীভূত হলো। স্বামী-স্ত্রীর পূর্ণ মিলনে প্রেমের প্রতিষ্ঠা ঘটলো। নাটকের সংলাপ সহজ এবং স্বাভাবিক, নাট্যকারের বাস্তব-সচেতনতার পরিচয় নাটকের সর্বত্রই লক্ষ্য করা যায়।
প্রাক যুগের প্রথম মুসলমান নাট্যকার গোলাম হোসেন আর আজিমদ্দীর নাটকের বিষয়বস্তু সমাজ কেন্দ্রিক। গোলাম হোসেনের ‘‘হাড় জ্বালানী’’র প্রকাশকাল ১৮৬৪ খ্রিষ্টাব্দে ও আজিমদ্দীর “কড়ির মাথায় বুড়োর বিয়ে”র প্রকাশ কাল ১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দ। সেই অন্ধকার যুগে বাঙালি মুসলিম সমাজের পক্ষ থেকে এঁরাই যে আমাদের নাট্য সাহিত্য সাধনার পথ দেখিয়ে গেছেন তার ঐতিহাসিক মূল্য ও গুরুত্ব অপরিসীম।

তথ্যসুত্র :
১. বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত  : মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
 (আধুনিক যুগ)
২. দুটি পুরোনো বাংলা নাটক : ডক্টর অনিসুজ্জামান
 (প্রবন্ধ)
 (বাংলা একাডেমী পত্রিকা ৩য় বর্ষ ১ম সংখ্যা)
৩. আধুনিক বাংলা সাহিত্যে  : ডক্টর কাজী আবদুল মান্নান
মুসলিম সাধনা (১৯৬১খ্রি.)
৪. বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাধনা  : অধ্যাপক মনসুর উদ্দীন
 (১৯৬৪খ্রি.)
লেখক: সাহিত্যিক, কলামিস্ট, গবেষক, ইতিহাসবিদ ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ