ঢাকা, বুধবার 8 August 2018, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৫ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

প্রতারণা!

আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা: বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার বড়আমখোলা গ্রামের শাহ আলম মুন্সীর পুত্র মস্তফা কামালগং  ভুয়া  জালজালিয়াতি করে কাগজ সৃষ্টি করে  মামলা করে জমি পাওয়ার জন্য আদালতে মামলা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কবিরাজ পাড়া গ্রামের মৃত ইউছুফ খানের পুত্র মো. ফারুক খানের লিখিত অভিযোগে জানা যায় তালতলী উপজেলার বড় আমখোলা গ্রামের বড়নিশানবাড়ীয়া মৌজার এস,এ ৬২.৭২.৪০৩. নতুন সৃজিত ১৩৬২.১৩৬৯  নং খতিয়ানের জমি বিভিন্ন তারিখে মুল মালিকের কাছ থেকে ১৭ টি দলিলের  মাধ্যমে  সাব কবলা সূত্রে ক্রয় করে  ৪৬,৯৮ একর জমি  ভোগ দখলে আছে ফারুখ খান গং।
উক্ত জমিতে বাড়ী ঘর  পুকুর ও স্কুলের জন্য ৩৩ শতাংশ বাংলাদেশ স্কাউটের জন্য  বাংলাদেশ সরকার ৫একর  ৫ শাতাংশ  জমি অধিগ্রহন করেন।
বাকী জমি ফারুখ খান গংভোগ দখলে আছেন।
কিন্তু উক্ত জমি নিয়ে  মস্তফা কামাল গং   বরগুনা সদর সহকারী জজ আদালতে বরিশালের ২১৭/৫৭ দেওয়ানী মোকদ্দমার  ভূয়া ডিক্রীর  নাম বলে  ভিত্তিহীন বারেক কে বাদী করে   ২৬৫/১৫  দেওয়ানী মোকদ্দমা  দায়ের করান।
এই ২৬৫/১৫ মোকদ্দমায়  পরিকল্পিত ভাবে মোস্তফা কামাল গং বিবাদী সেজে বাদীর সাথে সোলেনামা করে ডিগ্রী প্রাপ্ত হন। কিন্তু উক্ত মামলায় যে  নাম্বারের দলিলের কথা উল্লেখ করেছেন তাহা হচ্ছে ১/০৬/১৯৮৩  রেজিস্ট্রি দলিল ও উক্ত দলিলে গৃহিতা হিসাবে মোস্তফা কামালের দাদা ছোমেদ মুন্সীর কথা উল্লেখ করেছেন   অপর দলিল মোস্তফা কামাল  নিজে গৃহিতা উল্লেখ করছেন ৩০/০৮/ ১৯৮০ সালের কথা উল্লেখ আছে । 
গৃহিতা মোস্তফা কামালের জন্মই হয়েছে ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ। যার জাতীয় পরিচয় পত্র নং ০৪০৬৩৮০০০০৪০। কিন্তু মোস্তফা কামালের নামে যে দলিলের কথা উল্লেখ করেছেন তাহা পটুয়াখালী জেলা রেজিষ্টার অফিসে সার্চিংকরে দলিলের কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এবং  তার বাবাসহ ৫ খন্ড দলিলের কথা  উক্ত মামলায় উল্লেখ করলেও সার্চিং এ দলিলগুলোর কোনো অস্তি¡ত্ব পাওয়া যায়নি। 
অপর দলিল ২টি  মস্তফা কামালের দাদা ছোমেদ মুন্সীর কথা মোকদ্দমায় উল্লেখ করলে ও পটুয়অখালী মহাফেজ খানায় উল্লেখিত দলিলের যে নকল পাওয়া যায় তাতে দেখা যায় উক্ত নাম্বারের দলিল হচ্ছে জে এল নং ২৩ সোনাখালী মোৗজা খতিয়ান নং ৫২২ জমির পরিমান ২১ শতাংশ গৃহীতা বেলায়েত হোসেন।
আরেকটি দলিল ৫১ নং চলা ভাঙ্গা মৌজার খতিয়ান নং ২৮৮ জমির পরিমান ৩৩ শতাংশ গৃহীতা মো. শাহিদু রহমান পিতা আপ্তের গাজী সাং ছোট নীলগঞ্জ।
এ ঘটনায়  ফারুক খান গংদের ওয়ারিশ মো. সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০/১২/২০১৭ ইং তারিখ আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মোস্তফা কামাল, শাহ আলম . ও আজিজ মুন্সী, আলমগীর পিতা হাতেম আলী, ও ভিত্তিহীন বারেককে আসামী করে  জাল জালিয়াতি  ও প্রতারণার মামলা  মামলা দায়ের করেন।
যার পিটিশন নং ১০৩৮ তারিখ ২০/১২/১৭ ইং । আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ বুরে‌্য অব ইভেষ্টিগেশন (পিবিআই) পটুয়াখালীকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দেয়ার আদেশ দেন। যাহা এখন পিবিআই তদন্ত করছেন।
অপরদিকে মোস্তফা কামাল গংদের প্রাপ্ত ডিগ্রী রদ করার জন্য আলমগীর মোল্লা গং  বাদী হয়ে  সিনিয়র সহকারী জজ আদালত  বরগনায় মোকদ্দমা দায়ের করেন।যার নং ২২৯/১৭ ইং।
উক্ত মোকদ্দমায় বর্ননা দিতে গিয়ে মোস্তফা কামাল গংরা  উল্লেখীত দলিল গুলোর কথা আনরেজির্ষ্টির কথা উল্লেখ করে বর্ননা দেন।
যাহার কোন ভিত্তি নাই। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন।
উক্ত মামলা চলমান অবস্থায়  মস্তফা কামলা গংরা   আইন কানুনের কোন তোয়াক্কা না করে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায়  জমি দখলের চেষ্টা  ও পৃকৃত মালিকদের বিভিন্ন  হুমকি দামকি দিয়ে যাচ্ছেন।
এ ঘটনায় ভ’মি দস্যূ মোস্তফা কামাল গংদের হাত থেকে জমি রক্ষা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেছেন  ফারুক খান গংসহ জমির প্রকৃত মালিকরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ