ঢাকা, বৃহস্পতিবার 9 August 2018, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৬ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কাবাডি, আর্চারি ও শুটিংয়ে পদক জয়ের আশা বাংলাদেশের

 

স্পোর্টস রিপোর্টার : ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা-পালেম্বাংয়ে আগামী ১৮ আগস্ট থকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ান গেমসে কাবাডি, আর্চারি ও শুটিংয়ে পদকের আশা করছে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন (বিওএ)। গত এশিয়ান গেমসে তিনটি পদকের দুটি এসেছিল ক্রিকেট থেকে। অন্যটি কাবাডি থেকে।এবারের আসরে ক্রিকেট নেই। জাকার্তা-পালেমবাংয়ের প্রতিযোগিতায় তাই কাবাডির পাশাপাশি, শুটিং ও আর্চারি থেকেও ভালো কিছু পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)। গতকাল বুধবার বিওএ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মহাসচিব শাহেদ রেজা যদিও পদকের আশা নিয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। এশিয়ার বাকি প্রতিযোগীদের সঙ্গে ব্যবধানটা মেনে নিয়ে ‘ভালো কিছু’ চাওয়ার কথা জানান তিনি।

“কাবাডি, শুটিং, আর্চারিকে ঘিরে আমাদের প্রত্যাশা। এই ইভেন্টগুলোতে আমরা ভালো করতে চাই। তবে ভালোর মানে আপনারাও বোঝেন; আমরাও বুঝি। জানুয়ারি থেকে এই ইভেন্টের খেলোয়াড়রা অনুশীলন করায় তাদের প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। তাই ইভেন্টগুলোতে তারা ভালো পারফরম করবে বলে আশা করি আমরা।” সর্বশেষ দুটি আসরে ক্রিকেট ও কাবাডিতে উজ্জ্বলতা ছড়িয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১০ সালে গুয়াংজুতে ১৬তম এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পুরুষ দল স্বর্ণপদক ও মহিলা দল রৌপ্যপদক জিতেছিল। সেবার মহিলা কাবাডি দলের অর্জন ছিল ব্রোঞ্জ। ২০১৪ সালে ক্রিকেটে অবশ্য স্বর্ণপদক আসেনি, ইনচন গেমসে মহিলা দল রৌপ্য ও পুরুষ দল ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিল। মহিলা কাবাডি দলের অর্জনও ছিল ব্রোঞ্জ।

এবারের এশিয়াডে ক্রিকেট নেই। শুটিং, কাবাডি ও আর্চারি ঘিরেই তাই প্রত্যাশা। বিওএ’র মহাসচিব শাহেদ রেজা বুধবার সংবাদ সম্মেলনে এই তিন ডিসিপ্লিন নিয়েই শুনিয়েছেন আশার কথা। তার ভাষায়, ‘এই ইভেন্টগুলোতে আমরা ভালো করতে চাই। আর এখানে অ্যাথলেটরা ভালো পারফরম করবে বলে আশা করছি আমরা। এমনিতে এশিয়ান গেমসে শক্তিধর দেশগুলো অংশ নেয়, সেখানে আমাদের মতো দেশের পদক পাওয়া একটু কঠিনই। তবে আমরা আশা ছাড়ছি না।’কমনওয়েলথ গেমসে রৌপ্যপদক জয়ী শুটার শাকিল আহমেদের কণ্ঠে লক্ষ্য পূরণের প্রত্যয়, ‘অনুশীলনে ভালো স্কোর হচ্ছে। এশিয়ান গেমসে চীন-ভারতের শুটারদের বিপক্ষে লড়তে হবে। তবে আমি আশাবাদী। অনুশীলনে যা স্কোর হচ্ছে, তা যদি ইন্দোনেশিয়াতে করতে পারি তাহলে পদক আসবেই।’

পুরুষ কাবাডি দল ২০১০ ও ২০১৪ সালে খালি হাতে দেশে ফিরেছিল। এবার তাদের লক্ষ্য নুন্যতম ব্রোঞ্জ। অধিনায়ক মাসুদ করিমের আশা, ‘আসলে ইরান ও ভারতের মতো দেশের সঙ্গে পেরে ওঠা কঠিন। আমরা পাকিস্তান, কোরিয়ার মতো দেশের সঙ্গে লড়াই করব, (চাইবো) অন্তত ব্রোঞ্জ পদকটি যেন নিশ্চিত হয়।’মহিলা দলের কোচ আব্দুল জলিল গত দুই আসরের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চান। যদিও তিনি একটু দ্বিধার মধ্যে আছেন, ‘পদক জয়ের আশা আমারও আছে। কিন্তু সমস্যা হলো আমরা কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলা ছাড়াই ঢাকা ছাড়তে যাচ্ছি। বাকিরা অনেক উন্নতি করেছে। আমরা কোন জায়গায় আছি, সেটা আসলে বুঝতে পারছি না।’

এশিয়াডে ১৪টি ডিসিপ্লিনে বাংলাদেশের ৮৬ পুরুষ ও ৩১ মহিলা অ্যাথলেট অংশ নিচ্ছে। পুরুষ ও মহিলা দুই বিভাগেরই দল থাকছে আর্চারি, অ্যাথলেটিকস, গলফ, কাবাডি, শুটিং, সাঁতার ও কুস্তিতে। ফুটবল, বাস্কেটবল, বিচ ভলিবল, ব্রিজ, হকি ও রোইংয়ে শুধু পুরুষ দল খেলবে। আর ভারোত্তোলনে লড়বে মহিলা দল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ