ঢাকা, বৃহস্পতিবার 9 August 2018, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৬ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ক্ষমা চাওয়ার প্রস্তাব নাকচ বরিসের

৮ জুলাই, দ্য টেলিগ্রাফ :  বোরকা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। কনজারভেটিভ দলের নেতাকর্মী, চেয়ারম্যান ও স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য বরিসকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানালেও তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ক্ষমা চাইবেন না।

বরিস জনসনলন্ডনের একসময়ের নন্দিত মেয়র বরিস। ব্রেক্সিট নিয়ে দলীয় বৃত্তের ভেতরে-বাইরে নানা নাটকীয়তা আর বিতর্ক জন্ম দেওয়ার এক পর্যায়ে সম্প্রতি মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর থেকেই তিনি আলোচনার বাইরে। বোরকা নিয়ে বিদ্বেষী মন্তব্য করে নতুন করে আলোচনায় আসেন তিনি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে লেখা এক নিবন্ধে নারীদের বোরকা নিয়ে ওই মন্তব্যের পর বিভিন্ন মুসলিম গ্রুপ, কয়েকজন কনজারভেটিভ এমপি এবং বিরোধী দলগুলোর সমালোচনার মুখে পড়েছেন লন্ডনের সাবেক মেয়র জনসন।

 বরিসের মন্তব্য প্রসঙ্গে বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যালিস্টার বার্ট বলেন, সরকার পোশাকের বিষয়ে কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করবে না। বার্টের এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান ব্রান্ডন লুইস তার টুইটারে লিখেছেন, আমি বরিস জনসনকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

কনজারভেটিভ পার্টি চেয়ারম্যানের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বরিসকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। 

থেরেসা মে বলেন, বরিসের মন্তব্য ‘সুস্পষ্ট অবমাননা’। তবে গতকাল বুধবার ক্ষমা চাওয়ার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন জনসন। তার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র  জানিয়েছে, তার মন্তব্যকে ঘিরে জন্ম নেওয়া সমালোচনাকে ‘হাস্যকর’ আখ্যা দিয়েছেন জনসন। টেলিগ্রাফের ওই নিবন্ধে তিনি লিখেন, নিকাব নিষিদ্ধ করার কথা না বললেও একে ‘হাস্যকর’ আখ্যা দেন। 

তবে কনজারভেটিভ মুসলিম ফোরামের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বলছেন, জনসনের এই মন্তব্য কমিউনিটির মধ্যকার সম্পর্ককে হুমকির মুখে ফেলবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ