ঢাকা, বৃহস্পতিবার 9 August 2018, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৬ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কেসিসি’র ৩১টি ওয়ার্ডে এবারও ১৭২টি নির্দিষ্ট স্থানে হবে পশু কুরবানি

খুলনা অফিস : এবারও নির্দিষ্ট স্থানে পশু কুরবানি নিশ্চিত করতে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)। গতবারের মতো এবারও নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের ১৭২টি স্থান পশু জবাইয়ের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ঈদ উল আযহার দিন এ সব স্থানে সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে কেসিসি। এই কাজ করতে প্রত্যেক ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে ৮০ হাজার করে টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে।
কেসিসি সূত্রে জানা গেছে, ঈদ-উল আযহার দিন যত্রতত্র পশু কুরবানী করে পরিবেশ দূষণ রোধে ২০১৬ সাল থেকে নির্দিষ্টস্থানে পশু কুরবানীর উদ্যোগে নেয়া হয়। গত বছরও নগরীর ১৭২টি পয়েন্টে পশু কুরবানী করার উদ্যোগ নেয় কেসিসি। কিন্তু প্রচার-প্রচারণার অভাবে তা তেমন ফলপ্রসূ হয়নি।
তবে, সংস্থাটির দাবি, তারা ৬০ ভাগ সফল হয়েছে। এ জন্য এবার যাতে রাস্তা-ঘাটে পশু কুরবানী না করে নির্দিষ্টস্থানে করা হয় সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ শুরু করতে যাচ্ছে তারা। এজন্য ঈদের দিন মোবাইল কোর্ট চালানোর বিষয়টিও আলোচনায় রাখা হয়েছে।
কেসিসির সিনিয়র ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. রেজাউল করিম জানান, পশু কুরবানীর জন্য ১৭২টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি স্থানের ওপরে সামিয়ানা টানানো, কুরবানী দাতাদের বসার জন্য ৫০টি করে চেয়ার, পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা, হোগলা মাদুর এবং মাংস পরিবহনের জন্য বস্তা ও প্রতিটি স্পটে ২টি করে ভ্যান থাকবে।
তিনি জানান, এই উদ্যোগ কার্যকর করার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে সিটি মেয়রের নেতৃত্বে একটি মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ১২ সদস্য করে ১৭২টি স্থানীয় মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে। জনগণকে সচেতন করার জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে ১৬ আগস্ট থেকে মাইকিং করা হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে উদ্বুদ্ধকরণ সভা, ১০টি করে ব্যানার ও ফেস্টুন ঝোলানো হবে। বিতরণ করা হবে ১ লাখ লিফলেট। এছাড়া ক্যাবল টেলিভিশন ও স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
কেসিসির পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর খুরশিদ আহমেদ বলেন, সিটি করপোরেশনের ধারণা অনুযায়ী, নগরীতে এ বছর সম্ভাব্য কুরবানী দাতার সংখ্যা ২০ হাজার। আর পশু কুরবানী হবে প্রায় ১৮ হাজার। এই হিসাবকে সামনে রেখে তারা সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছেন। ওয়ার্ড পর্যায়ের স্পট সাজানো, প্রচারণা ও অন্যান্য কাজে প্রতি ওয়ার্ডে ৮০ হাজার করে টাকা বরাদ্দ দেয়া হবে।
এ ব্যাপারে সিটি মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, নির্দিষ্টস্থানে পশু কুরবানী করতে মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিম, গোশ বিক্রেতা ও গণমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা করলে এই কাজে সফলতা আসবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ