ঢাকা, বৃহস্পতিবার 9 August 2018, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৬ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সাঘাটায় নদী ভাঙ্গনে হুমকির মুখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ঘরবাড়ি

সাঘাটায় নদী ভাঙ্গনের দৃশ্য

গাইবান্ধা সংবাদদাতা: উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নে বাড়ছে নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা।
গত কয়েক দিনে যমুনা নদীর তীব্র ভাঙ্গনে হলদিয়া ইউনিয়নের কানাইপাড়া, বেড়া, নলছিয়া, গোবিন্দপুর, উঃ দিঘলকান্দী, দঃ দিঘলকান্দী, পাতিলবাড়ী, গাড়ামারা সিপি, চরহলদিয়া, কালুরপাড়াসহ ১১টি গ্রামে প্রায় ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি ভিটে-মাটি বিলীন হয়ে গেছে।
এদিকে কানাইপাড়া দাখিল মাদ্রাসা, বেড়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কানাইপাড়া, গোবিন্দপুর সর: প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়, গোবিন্দপুর দাখিল মাদ্রাসা, হলদিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও প.প ক্লিনিক, হলদিয়া বাজার থেকে গোবিন্দপুর মাদ্রাসা পর্যন্ত পাকা রাস্তাটি এবং সাঘাটা ইউনিয়নের বাঁশহাটা, গোবিন্দী, হাসিলকান্দী, হাটবাড়ী, উঃ সাথালিয়া মৌজাসহ ওয়াবদা বাঁধসহ সহস্রাধিক বাড়িঘর নদী ভাঙ্গনের হুমকীর সম্মুখীন হয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী এটিএম রেজাউর রহমান জানান, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার এ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি’র প্রচেষ্টায় হলদিয়া ইউনিয়নে নদী ভাঙ্গনের পূর্ব সতর্কতা মূলক কানাইপাড়া হতে নলছিয়া মৌজা পর্যন্ত ১ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দের জি.ও ব্যাগ ফেলানো হয়েছে।
সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক যে কাজ হয়েছে, যা নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে যথেষ্ট নয়।
বেড়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে ডেপুটি স্পীকার এ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
এদিকে সরেজমিনে গেলে নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো জানায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক যে পরিমাণ জি.ও ব্যাগ ফেলানো হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় কিছুই নয়। এ পর্যন্ত আমরা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো সরকারীভাবে কোন সহযোগীতা পাইনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ