ঢাকা, বৃহস্পতিবার 9 August 2018, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৬ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সিরাজদিখানে দিন দিন কমে যাচ্ছে পাট চাষ

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা: সুজলা-সফলা,শষ্য-শ্যামলীময় কৃষি প্রধান এই বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল সোনালী আঁশ খ্যাত পাট। অনুপম দৃষ্টি নন্দন এই সোনারী আঁশ আমাদের জাতীর গৌরব।
যুগ যুগ ধরে এ দেশের উর্বর মাটিতে পাট চাষ করে দেশের অর্থনেতিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখে আসছে কৃষকরা।
কিন্তু বিভিন্ন কারণে দিন দিন সেইপাট চাষের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার পাট চাষীরা।
খাল-বিলে পানি নেই এটাই প্রধান কারণ বলে জানিয়েছেন সিরাজদিখানের অনেক কৃষকরা ।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়,গত কয়েক বছরে ধরে বিভিন্ন হাইজিং কোম্পানী নদী তীরের খাসজমি দখল করে বালু ভরাট করা সহ ছোট বড় অনেক খাল ভরাট করার  ফলে কৃষকের জমিতে পানি আসার পথ বন্ধ হয়ে গেছে যে কারনে পাট চাষীরা পাট চাষের প্রয়োজনীয় পানি পাচ্ছেন না আবার অনেক চাষীরা জানান, পাট জাতীয় আসবাব পত্রের ব্যবহার দিন দিন কমে যাচ্ছে।
প্লাাষ্টিক এবং পলিথিনের উপর নির্ভর হয়ে যাচ্ছে মানুষ আর এ প্লাাষ্টিক এবং পলিথিনের জন্য উর্বরতা  হারাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,গত বছর সিরাজদিখান উপজেলায় ২২৭০ হেক্টর জমিতে দেশি,তুষা,কেনাফ জাতীয় পাট চাষ হয়েছিল। এ বছর ১৭৬০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ কমে দাড়িয়েছে  ৫১০ হেক্টর।
উপজেলার  ইছাপুরা গ্রামের পঞ্চাশ উর্ধ্বো কৃষক মো.কোরবান আলী আফসোস করে বলেন,এমন এক সময় ছিল যখন পাটের সময়ের জন্য আগ্রহে থাকতাম। কারণ এ পাট বিক্রী করে আমাদের সাড়া বছরের পারিবারিক খরচের টাকা হয়ে যেত।
কিন্তু বর্তমান সময়ে পাট চাষ করতে যে পানির প্রয়োজন তা পাইনা পাট তোলে পাট পচনের পানিরও খুব অভাব। 
সিরাজদিখান উপজেলা কৃষিকর্মর্তা সুবোধ চন্দ্র রায় জানান,সিরাজদিখানের খাল বিল অনেকটা ভরাট হয়ে যাওয়ার কারনে কৃষকের চাষকৃত জমিতে প্রয়োজনীয় পানি এবং পাট তোলার পচনের জন্য পানিও কম পাচ্ছে যে কারনে কৃষক পাট চাষে আগ্রহী কম।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ