ঢাকা, বৃহস্পতিবার 9 August 2018, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৬ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

২৫ হাজার বাসিন্দার খাল পারাপারে মান্ধাতা আমলের বাঁশের সাঁকো!

লোহাগাড়ার চরম্বা আমছড়ি খালের ওপর বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে মাদরাসা পড়ুয়া ছাত্ররা -সংগ্রাম

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) থেকে সিরাজুল ইসলাম: চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা জামছড়ি খাল পারাপারে ২৫ হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো। চার গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন যাবৎ এ ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারপার করে আসছেন। অনেক জনপ্রতিনিধি জামছড়ি খালের ওপর  ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার করেছেন। কিন্তু পরে ব্রিজ নির্মাণের ব্যাপারে আর কোন খবর নেয়নি। এতে দিন দিন এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বেড়ে চলছে। এলাকাবাসীর চোখের পানি জামছড়ি খালের সাথে মিশে একাকার হয়ে গেছে। জানা যায়, চরম্বা ইউনিয়নের উত্তর চরম্বা দিঘীর পাড়া, কালোয়ার পাড়া, মজিদের পাড়া ও চৌধুরী পাড়ার প্রায় ২৫ হাজার লোকজনের বর্ষাকালে পারাপারের একমাত্র ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁশের সাঁকো। স্থানীয়রা এ সাঁকো দিয়ে চরম্বা বাংলা বাজার ও নয়াবাজারে যায়। ওই বাজারে সপ্তাহে তিন দিন হাট বসার কারণে কৃষকরা বিভিন্ন সবজি ও মালামাল ঝুঁকি নিয়েই সাঁকো পারাপার হয়। সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত পারপার হয় চরম্বা উচ্চ বিদ্যালয়, চরম্বা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরম্বা জামেউল উলুম মাদ্রাসা ও ছিদ্দিকিয়া মাদ্রাসার বহু শিক্ষার্থী। স্থানীয় শিক্ষাবীদ মাওলানা শামসুল আলম হেলালী জানান, বহু বছর ধরে এলাকাবাসী বর্ষাকালে স্ব-উদ্যোগে  বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে পারপার হচ্ছে। প্রতিদিন এ সাঁকো দিয়ে চার গ্রামের মানুষ ও শিক্ষার্থীসহ বহু লোকজন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার শফিকুল ইসলাম জানান, জামছড়ি খালে কোন ব্রিজ না থাকায় বর্ষাকালে খাল পারাপারে শত শত মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। তিনি জামছড়ি খালে ব্রিজ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেছেন এবং শীঘ্রই ফলাফল পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান। ভুক্তভোগীরা জামছড়ি খালের উপর একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ