ঢাকা, শুক্রবার 10 August 2018, ২৬ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৭ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সাড়ে ছয়শো হজ্ব¡যাত্রীর ভিসার আবেদন জমা পড়েনি

স্টাফ রিপোর্টার: সময় বাড়ানোর পরও সাড়ে ছয়শো হজ্বযাত্রীর ভিসার আবেদন জমা পড়েনি। ফলে এ সংখ্যক ব্যক্তি এ বছর হজ্বে যেতে পারছেন না। ১৫ শতাংশ রিপ্লেসমেন্ট দেয়ার পরও এসব হজ্বযাত্রী এজেন্সিগুলোর গাফলতি নাকি নিজেরাই হজ্বে যাচ্ছেন না তা এখনো জানা যায়নি। এর আগে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আরো চারশো হজ্বযাত্রী নিবন্ধনই করেননি। এতে এ বছর কোটা থাকার পরও এক হাজারেরও বেশি হজ্বযাত্রী হজে যেতে পারছেন না। 

এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট হজ্বযাত্রী কোটা নির্ধারিত হয় এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। বিগত বছরগুলোতে সরকারি কোটা ১০ হাজার রাখলেও পর্যাপ্ত হজ্বযাত্রী না পাওয়ায়  শেষের দিকে কিছু হজ্বযাত্রী বেসরকারি কোটায় দিয়ে দিতে হয়। এতে বেশ ঝামেলা দেখা দেয়। এ কারণে এ বছর আগেভাগেই সরকারি কোটা কমিয়ে সাত হাজার ১৯৮ জন করা হয়। আর বেসরকারি কোটায় দেয়া হয় এক লাখ ২০ হাজার হজ্বযাত্রী। কিন্তু চূড়ান্ত নিবন্ধনের পর দেখা যায়, এ কোটাও পূরণ করতে পারেনি সরকার। সরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ছয় হাজার ৭৯৮ জন নিবন্ধন করেন। কিন্তু বাকি কোটা আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেয়া হয়নি। এতে চারশো কোটা খালি থেকে যায়। 

গত ৭ আগস্ট পর্যন্ত সর্বশেষ ভিসা দেয়া হবে বলে সৌদি দূতাবাস সময় নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু এরপর দুদিন সময় বাড়িয়ে গতকাল বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ভিসার আবেদনের সময় নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু গতকাল নির্ধারিত সময়  শেষে দেখা যায়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ভিসা হয়েছে এক লাখ ১৯ হাজার ৩৬৮ জনের। ফলে বেসরকারি ব্যবস্থাপায় কোটা খালি রয়েছে ৬৩২ জনের। এছাড়া সরকারি ব্যবস্থাপনায় ভিসা হয়েছে ছয় হাজার ৭৮৩ জনের। এখনো বাকি আছে ১৫ জনের। এতে মোট কোটা খালি রয়েছে ৬৪৭ জনের। এর আগে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আরো চারশো কোটা খালি থাকায় এ বছর মোট কোটা খালি থেকে যাচ্ছে এক হাজার ৪৭ জনের। 

এ ব্যাপারে হজ্ব অফিসের পরিচালক মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, হজে¦র ভিসার জন্য গতকাল বিকেল ৫টা পর্যন্ত ডিও প্রদান করা হয়েছে। এরপর আর কোন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। ফলে বাকিদের আর এ বছর হজ্বে যাওয়ার সুযোগ থাকছে না। 

গতকাল সকাল ৯ টা পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ২৯১টি ফ্লাইটে মোট ৯৯ হাজার ৩৬৩ জন হজ্বযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশের ১৪৩টি ফ্লাইটে ৫১ হাজার ২৮৪ জন এবং সাউদিয়া এয়ারলাইন্সের ১৪৮টি ফ্লাইটে গেছেন ৪৮ হাজার ৭৯ জন হজ্বযাত্রী। এতে হজ্বযাত্রী পরিবহন বাকি থাকে ২৭ হাজার ৪৩৫ জন। তবে গতকাল সকাল ৯ টার পর বিমান বাংলাদেশের আরো চারটি ফ্লাইটে এক হাজার ৪২৩ জন এবং সাউদিয়া এয়ারলাইন্সের আরো দুটি ফ্লাইট সৌদি আরবে যায়। 

এদিকে যেসব এজেন্সি তাদের সব হজ্বযাত্রীর ভিসার জন্য ডিও সংগ্রহ করেনি তাদেরকে বাকি থাকা হজ্বযাত্রীরা হজে¦ যাবেন না মর্মে তালিকা করে হজ্ব অফিসে জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে ধর্মমন্ত্রণালয়। গতকাল এক আদেশে হজে¦ অংশগ্রহণকারী ৫২৮টি এজেন্সিকে হজ্ব অফিসের পরিচালক এ নির্দেশ দেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ