ঢাকা, শনিবার 11 August 2018, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৮ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চোরের হাতের বন্দুক আর গৃহস্থের হাতের বন্দুক এক করবেন না

স্টাফ রিপোর্টার : বিভিন্ন লেখক ও সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, চোরের হাতের বন্দুক আর গৃহস্থের হাতের বন্দুক এক করবেন না। কেননা চোর আর গৃহস্থের হাতের বন্দুকের কাজ এক রকম না। বন্দুক এক হলেও তাদের কাজ ভিন্ন রকম। 
গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত ১৫ আগস্ট শোক দিবস উপলক্ষে ‘ষড়যন্ত্র যুগে যুগে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গবর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. শামসুল আলম। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কলামিস্ট অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যু থেকে ২০১৮ সালের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন পর্যন্ত যত ষড়যন্ত্র হয়েছে, তা আগস্ট মাসেই প্রকাশ পেয়েছে। যদিও ষড়যন্ত্রের চিন্তাভাবনা অন্য সময় হয়, কিন্তু তা প্রকাশ পায় আগস্টে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখনই অর্থনীতিতে ওপরের দিকে উঠতে থাকে তখনই দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র বাংলাদেশকে চেপে ধরে। এ সময় তিনি ১৯৭৮ সালে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঠেলে দিয়ে দেশের অর্থনীতিকে দাবিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করেন।
আওয়ামী লীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, এখন পর্যন্ত বার বার একই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। পাকিস্তান ও মিয়ানমার উভয় দেশই ড্রাগ দ্বারা আক্রান্ত। আর রোহিঙ্গা দ্বারা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ড্রাগ ছড়িয়ে দেয়ার একটা ষড়যন্ত্র করা হয়।
মন্ত্রী বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে বলেন, তারেকের বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মারা যাওয়ার পর লাশ ঢাকায় আনা হলে তার মুখটি ছেলে তারেক দেখেননি বলে দাবি আওয়ামী লীগের এই বর্ষীয়ান রাজনীতিকের। তিনি বলেন, যেই ছেলের কাছে নিজের পিতার জন্য কোনো মায়া নেই তার কাছে দেশের জন্য কি মায়া থাকবে। এমন মানুষের কাছে দেশ কী আশা করতে পারে?
এ সময় মতিয়া চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পিতৃভক্তির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকে তাকালে দেখা যায়, যেকোনো কাজ শুরু করার আগে তিনি পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের কবরের কাছে গিয়ে দোয়া চেয়ে আসেন। একেই বলে আদর্শ মানুষের আদর্শ সন্তান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ