ঢাকা, শনিবার 11 August 2018, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৮ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

লাহোরের স্থগিত আসনেও ইমরানকে বিজয়ী ঘোষণা

১০ আগস্ট : আইনি জটিলতায় ফল স্থগিত করা লাহোরের এনএ-১৩১ আসনটিতেও পিটিআই নেতা ইমরান খানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন। ওই আসনটিতে ভোট পুনর্গণনার জন্য হাই কোর্টের দেওয়া আদেশটি সুপ্রিম কোর্টে খারিজ হয়ে যাওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার কমিশন আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদন থেকে এ কথা জানা গেছে।

৫ জুলাই অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে পিটিআই প্রধান ইমরান খান সাধারণ নির্বাচনে পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং সব আসনেই বিজয়ী হয়েছেন। তবে মঙ্গলবার পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন এনএ-১৩১ (লাহোর-৯) ও এনএ-৫৩ (ইসলামাবাদ-২)আসনে ইমরানের বিজয় স্থগিত করে। লাহোর-৯ আসনের (এনএ-১৩১) মামলায় সেখানকার হাইকোর্ট ভোট পুনর্গণনার আহ্বান জানালেও সুপ্রিম কোর্ট সে আদেশ খারিজ করে দেয়। এর একদিন পর বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) ইমরানকে ওই আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তবে ইসলামাবাদের আসনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় ইমরানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার শুনানি এখনও চলছে। 

গোপনে ভোট দেওয়ার নিয়ম থাকলেও নির্বাচনের দিন সংবাদমাধ্যমের সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যালট দেখানোর অভিযোগ উঠেছিল ইমরান খানের বিরুদ্ধে। তার কাউন্সেলর বাবর আওয়ান বৃহস্পতিবার ইমরানের পক্ষে এক লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ২৫ জুলাইয়ের নির্বাচনের দিন পিটিআই নেতার ব্যালট প্রদর্শনের ঘটনা ইচ্ছাকৃত ছিল না। তবে ওই বিবৃতিতে পিটিআই প্রধানের স্বাক্ষর না থাকায় সেটি গ্রহণ করেনি নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার পর্যন্ত এর শুনানি মুলতবি করা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, নির্বাচন কর্মকর্তা কিংবা প্রার্থী ও তার এজেন্টরা ভোটদানের সময় গোপনীয়তা সংক্রান্ত আইন ভঙের জন্য দোষী সাব্যস্ত হলে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদ- অথবা এক হাজার রুপি কিংবা উভয় সাজা হতে পারে।

নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হলেও সরকার গঠনের মতো নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ। ফলে জোট সরকার গঠন করতে হবে দলটিকে। সেক্ষেত্রে জোটসঙ্গী হিসেবে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট,পিএমএল কিউ এবং বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টির কয়েকজন সদস্য।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ