ঢাকা, শনিবার 11 August 2018, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৮ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শহিদুল আলমের মিথ্যা পোস্ট দেয়ায় শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে -জয়

স্টাফ রিপোর্টার: নিরাপদ সড়কের দাবিতে সাম্প্রতিক আন্দোলনে আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের ভূমিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা এবং তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টায় দেওয়া ওই পোস্টে তিনি বলেছেন, শহিদুল আলমের দেওয়া মিথ্যা পোস্ট ও অভিযোগের কারণেই শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং পুলিশের ওপর ও আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা চালায়। এতে একাধিক পুলিশ সদস্য ও আওয়ামী লীগ কর্মী আহত হন।
আরাফাতুল ইসলাম বাপ্পি নামের আওয়ামী লীগের এক কর্মী চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাপ্পি কি ন্যায়বিচার পাওয়ার যোগ্য না?’
 ফেসবুকে দেয়া জয়ের পোস্টফেসবুকে পোস্ট করা তার বক্তব্যটি হুবহু তুলে ধরা হলো- ‘ধরুন বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় ও সফল ব্যক্তি হিসেবে আন্দোলনের সময় আমি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বলতাম আন্দোলনরত তরুণরা আমাদের কর্মীদের একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে আক্রমণ করে হত্যা করেছে এবং সেই কথার প্রেক্ষিতেই আমাদের কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে সেই বিশ্ববিদ্যালয়টি আক্রমণ করতো। তাহলে কি বলা যেত আমি সহিংসতা উসকে দিয়েছি? নাকি আমি বাকস্বাধীনতার অধিকার দ্বারা সুরক্ষিত থাকতাম?
আমার কোনো সন্দেহ নেই আজ যেই সুশীল সমাজ, বিদেশি বন্ধুরা ও সাংবাদিকরা শহিদুল আলমের পক্ষে কথা বলছেন, তারা তখন ঠিকই বলতেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সহিংসতা উসকে দিয়েছেন। শুধুমাত্র সফল ও জনপ্রিয় হওয়ার জন্যই কি আজ শহিদুল আলমকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখার কথা বলা হচ্ছে? তাহলে কি আমিসহ সকল সফল ও জনপ্রিয় মানুষই আইনের ঊর্ধ্বে?
আমি যে উদাহরণ দিয়েছি, শহিদুল আলম ঠিক তাই করেছেন। তার দেয়া মিথ্যা পোস্ট ও অভিযোগের কারণেই শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং পুলিশের ওপর ও পার্টি অফিসে হামলা চালায়। একাধিক পুলিশ সদস্য ও আমাদের কর্মীরা আহত হন। আরাফাতুল ইসলাম বাপ্পি নামের আমাদের এক কর্মী তার দৃষ্টিশক্তি চিরতরে হারিয়েছেন। বাপ্পি কি ন্যায়বিচার পাওয়ার যোগ্য না?

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ