ঢাকা, শনিবার 11 August 2018, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৮ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ফটিকছড়ির সরকারী ৪৬ প্রকল্পের দুর্নীতি তদন্তে দুদক

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা: চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ২নং দাঁতমারা ইউনিয়নে ত্রাণ ও দূর্যোগ মন্ত্রানালয়ের ৪৬টি প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের ঘটনা তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার দুদকের সহকারী পরিচালক অজয় কুমার সাহা সরেজমিনে ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে এ তদন্ত করেন।
মঙ্গলবার সকালে দুদক কর্মকর্তা অজয় সাহা প্রথমে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে দাঁতমারা ইউপি কার্যালয়ে অভিযোগের বাদী দুই ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন ও সুব্রত দে, অভিযুক্ত চেয়ারম্যান জানে আলম, সচিব এমরান ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামের সাথে মুখোমুখি আলোচনা করেন।
এরপর তিনি ইউনিয়নের দাঁতমারা, হেয়াকো সরকার পাড়া, বাংলা পাড়া, হেয়াকোঁ, নিচিন্তা , শান্তিরহাট, বালুটিলা, রত্নপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
প্রকল্প গুলো সরেজমিনে তদন্ত করতে যান।
এদিকে তদন্তকালে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা অজয় কুমার সাহা সাংবাদিকদের বলেন, প্রকল্প গুলোতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে।
যে পরিমান কাজ হয়েছে তা নির্দিষ্ট সময়ের অনেক পরে এবং অভিযোগ হওয়ার পরে। তৎমধ্যে ৫টি প্রকল্প সম্পূর্ণ ভূয়া।
এসব বিষয়ে পুরো তদন্ত শেষে বিস্তারিত মন্তব্য করবো।
উল্লেখ্য ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষনাবেক্ষন (টিআর) কর্মসুচীর আওতায় ফটিকছড়ির দাঁতমারা ইউনিয়নে ৪৬ প্রকল্পের ২৩টি হচ্ছে ইউনিয়নে বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প।
এসব প্রকল্পের প্রতিটিতে ৭৯ হাজার ৭৮২ টাকা করে বরাদ্দ প্রদান করে। এ ছাড়া বাকী প্রকল্প গুলো ফোরকানিয়া মাদরাসা, রাস্তা, ব্রিজ বা কবরস্থানের উন্নয়ন। প্রকল্প গুলো ২৮ জুন ২০১৬ এর মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে মাস্টার রুল
জমা দেওয়া হলেও মাঠ পর্যায়ে কোন কাজ না হওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান জানে আলম, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম, ইউপি সচিব এমরান হোসেনকে অভিযুক্ত করে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং দুদকে অভিযোগ দিয়েছিলেন দুই ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন ও সুব্রত দে।
এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বছর জেলা প্রশাসকের সহকারী পরিচালক (এলজিইডি) খুরশিদ আলম তদন্ত শেষে এসব প্রকল্পে অনিয়ম হয়েছে মর্মে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এ তদন্ত প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখেনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ