ঢাকা, রোববার 12 August 2018, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৯ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ভাঙ্গা কুকরুল ব্রীজের বাইপাসসড়ক দেবে গেছে

রংপুর অফিস : রংপুর নগরীর কুকরুল ব্রীজের সংস্কার কাজের জন্য নির্মিত বিকল্প বাইপাস সড়ক দুর্বল ভাবে তৈরী করায় গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণের কারণে সড়কটি দেবে গেছে।
এর বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গনও দেখা দিয়েছে। সড়কটি ভেঙ্গে গেলে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪, ৫, ৭ এবং ২৩ নম্বর ওয়ার্ডসহ ঐ এলাকার লাখ লাখ মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশংকা করা হচ্ছে। জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর আগে ২ কোটি টাকা ব্যয়ে রংপুর নগরীর ২৩ নম্বর ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যবর্তি স্থানে কুকরুল ব্রীজটি নির্মান করা হয়। প্রায় দুই বছর আগে এই ব্রীজটি বন্যার পানির তোরে ভেঙ্গে যায়। কিন্তু সেখানে আজও কোন নতুন ব্রীজ নির্মাণ করা হয় নি। বাইপাস সড়কটিও রয়েছে ঝুঁকিতে। স্থানীয়রা জানান, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাইমাগিলি, হিন্দুপাড়া এবং খটখটিয়ার কিছু এলাকা, বালাকুমার, আমের তল, জলছত্র, কুকরুলের কালোনি, আগাড়ের পাড়, লালপুর, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খটখটিয়া, হারাটি, মেডিকেল পাকার মাথার একাংশ, আটিয়াটাড়ি, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ময়না কুঠি, চওড়ার হাট এবং ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ জুম্মাপাড়া, সিটি বাজার এলাকাসহ এই ওয়ার্ডগুলোর আরো কয়েকটি এলাকার লোকজন যাতায়াত করে থাকেন। এছাড়াও এই বাইপাস সড়ক দিয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুর এবং গজঘন্টাসহ কয়েকটি এলাকার লোজনের যাতায়াত রয়েছে। শুধু তাই নয় লালমনিরহাট জেলার কাকিনা এবং আদিতমারির লোকজনও এই সড়ক ব্যবহার করে থাকেন। ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের জুম্মাপাড়া এলাকার ব্যবসায়ী সোহেল মিয়া জানান, কয়েক দিন আগে টানা বর্ষণ হয়েছে। এই বর্ষণের কারণে বাইপাস সড়কটি দেবে গেছে। ভারী বর্ষণ হলে বাইপাসসড়কটি ভেঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। কৃষক আবুল কালাম জানান, তিনি কৃষি পণ্য নিয়ে এই সড়ক হয়ে সিটি বজারে আসেন। যদি সড়কটি ভেঙ্গে যায় তাহালে তাকে বিকল্প পথে বেশি খরচে আসতে হবে। এতে তিনি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হারাধন রায় জানান, ওয়ার্ডবাসীর দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে বিষয়টি মেয়র মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করায় তিনি দুইবার এই ব্রীজ এলাকা পরিদর্শন করেছেন। রসিক মেয়র মোস্তফিজার রহমান মোস্তফা জানান, ব্রীজের কাজ শুরু না হওয়া পর্যন্ত বাইপাসসড়কটি সংস্কার করে সচল রাখা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ