ঢাকা, রোববার 12 August 2018, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৯ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

মেহেরপুর জেলায় পরিচর্যা হচ্ছে এক লাখ কোরবানির পশু

মেহেরপুর জেলায় পরিচর্যা হচ্ছে এক লাখ কোরবানির পশু

মেহেরপুর সংবাদদাতা : মেহেরপুর জেলায় প্রায় এক লাখ কোরবানি উপযুক্ত পশু রয়েছে। বসতবাড়ি ও খামার পর্যায়ে পালিত এসব পশু কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য পরিচর্যায় ব্যস্ত মালিকেরা। গেল বছর কোরবানির পশুতে ভাল দাম পাওয়ায় পশু পালনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে গো-খাদ্যের দর বৃদ্ধি পাওয়ায় পশু বিক্রিতে ভাল দাম না পেলে লোকসান গুনতে হবে পশু পালনকারীদের। এমণ আশংকা প্রকাশ করেছেন তারা। জেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার জাহাঙ্গীর আলম জানান, চলতি বছরে কোরবানির জন্য ৬১০টি মহিষ, ৩৬ হাজার ৯১৪টি গরু, ২ হাজার ২৮২টি ভেড়া ও ৫৯ হাজার ৪৯০টি ছাগল রয়েছে। যা গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ গরু খামার ৭৭৬টি, ছাগল খামার ৩৪৯টি এবং ২৫৬টি ভেড়া খামার রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মেহেরপুর জেলার আর্থসামাজিক উন্নয়নে পশু পালন এক গরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে।মেহেরপুর প্রাণী সম্পদ র্ভারপাপ্ত ইওলো ডা: নুর আলম বলেন বিশেষ করে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের বাড়িতে দু’য়েকটি করে গরু পালন যেন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।  সারা বছর পালনের পর কোরবানির সময় বিক্রি করা হয়। গরু, ছাগল ও ভেড়া বিক্রির টাকাগুলো একসাথে হাতে আসার ফলে আর্থিক উন্নতি করতে পারছেন এসব পরিবার। তাই প্রতি বছরই গবাদি পশু পালনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারের সংখ্যাও বাড়ছে। তবে ভারত থেকে গরু আসলে বিপাকে পড়ার আশংকা করছেন খামারী ও পশু পালনকারীরা।
খামারি আশিক রেজা বলেন, ঘাস, বিচুলি-খড় ও সুষম খাবারের দাম বেড়েছে। গত বছরের চেয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি ধরে খাদ্য কিনতে হয়েছে।
তারপরেও কোরবানীর পশু হাটে বিক্রির উদ্দেশ্যে পুরো দামে গরু পরিচর্যা করছেন খামারীরা। গরু ব্যাপারীরা ঢাকার বিভিন্ন খামার মালিকদের কাছে বিক্রি শুরু করেছেন। গত বছরের মত এবারো ভাল দামের আশা করছেন স্থানীয় ব্যাপারীরা।  মেহেরপুর জেলায় ক্ষতিকর স্টোরয়েড দিয়ে গরু পালন করা হয় না।
দেশীয় খাদ্য খাবার দিয়েই গরু পালন করা হচ্ছে। খামার ও ব্যক্তি পর্যায়ে পালিত পশু কোরবানি উপযুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও ভারত থেকে অবৈধ পথে গরু না আসার বিষয়ে সতর্ক রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ