ঢাকা, রোববার 12 August 2018, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৫, ২৯ জিলক্বদ ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বগুড়ায় সাত মাসেও ফেরেনি উষা তথ্য নেই পুলিশের কাছে

বগুড়া অফিস : সাত মাস পেরিয়ে গেলেও ফিরে আসেনি বগুড়ার শেরপুর উপজেলা শহরের খন্দকারটোলার বাসিন্দা বাবা ওসমান গণির মেয়ে গৃহবধু শামিমা আক্তার উষা (২৩)। মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে চলতি বছরের ৩ জানুয়ারী শেরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (নম্বর:১১০/তারিখ:০৩-০১-২০১৮) করেন বাবা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, শেরপুর থানা পুলিশের কাছে এ বিষয়ে কোন সন্তোষজনক তথ্য নেই। উষার বাবা ওসমান গণি বলেন, শ্বশুরবাড়ি থেকে চলে আসেন ২০১৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর সকালে। দুইদিন পর ৩১ ডিসেম্বর বিকেল অনুমান সাড়ে ৩ টার দিকে বাবার বাড়ি থেকে সবার অজান্তে চলে যায় উষা। ৭ বছর বয়সী একমাত্র ছেলে আবু সায়েম অপেক্ষায় রয়েছে তার গর্ভধারিণী মার। মা যে তার দাদার পরিবারে অবহেলার ব্যক্তি ছিল, সবাই তাকে অত্যাচার করতো এটাও মনে করিয়ে দিয়েছে শিশুটি। সরকার ও পুলিশ বিভাগ যেন ”মা’কে ফিরিয়ে দেন এ অনুরোধ করেছে শিশু সায়েম। স্বামী মোঃ বদিউজ্জামান (২৮) সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলার মেঘাই মুসলিম পাড়ার আয়েজ উদ্দিনের ছেলে। লেখাপড়া তেমন একটা নেই। শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি গোপন রেখেই ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে ২০০৬ সালে বিয়ে করে সরল শান্ত প্রকৃতির মেয়ে উষাকে। মেয়ের বাবার কাছ থেকে প্রাপ্ত টাকাকে (যৌতুক) পুঁজি করেই সংসার সাজাতে চেয়েছিলেন বদিউজ্জামান। প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় উষার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। স্বামী ও শশুর, শাশুড়ীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে নীরবে সবাইকে ছেড়ে চলে গেছেন। দীর্ঘ সাত মাস পর রবিবার বিকেলে সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ কওে আরও এক দফা মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আকুতি জানালেন বাবা ওসমান গণি। শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কিছু জানেন না তিনি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ