ঢাকা, সোমবার 13 August 2018, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৫, ১ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমন করে রাখা যায় না

স্টাফ রিপোর্টার : গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনজীবী আন্দোলনে আইনজীবীরা বলেছেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমন করে রাখা যায় না। স্বৈরাচার এরশাদ সরকার গণতান্ত্রিক অধিকার রুদ্ধ করে রাখতে পারেনি এবারও রুদ্ধ করা যাবে না। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চোখে আঙ্গুল দিয়ে এটা দেখিয়েছে। আমাদের আরেকটি পাতানো নির্বাচন রুখে দিতে হবে।
গতকাল রোববার দুপুর সোয়া ১ টায় সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে মানববন্ধন ও সমাবেশে আইনজীবী নেতারা এসব কথা বলেন। গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনজীবী আন্দোলন এ কর্মসূচী পালন করে। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সুপ্রিম কোর্ট শাখার সভাপতি এডভোকেট মনির হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকার, আইন বিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া, সাবেক সংসদ সদস্য খালেদা পান্না, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবেদ রাজা, গরিবে নেওয়াজ, গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী আলাল, আইয়ুব আলী আশ্রাফী ও আনিছুর রহমান খান, আরিফা জেসমিন নাহিন, আলআমিন প্রমুখ।
গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে রাখা হয়েছে আমরা তার মুক্তি চাই। মুক্তি চাইলে হবে না সারাদেশে আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে হবে। বর্তমান সরকারের পতন না হলে সারাদেশ একটা বন্দীশালায় পরিণত হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মনির হোসেন বলেন, দেশের মানুষ কোন পর্যায়ে আছে এটা সবাই জানি। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নেই। বেশি দিন এটা চলতে দেয়া যায় না। আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে উৎখাত করতে হবে। এজন্য সারা দেশের জেলা বারগুলোতে আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে হবে, সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে। এ সমাবেশ থেকে কারাবন্দী খালেদা জিয়াসহ সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মীর মুক্তি দাবি করছি। একইসঙ্গে কোটা আন্দোলনে ও নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের কারাবন্দী ছাত্রদের মুক্তি দাবি করছি।
তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, কেউ গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমিয়ে রাখতে পারেনি। এ সরকারও দমাতে পারবে না।
সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি যে একতরফা নির্বাচন হয়েছে এ ধরনের নির্বাচন আর হতে দেয়া হবে না। সরকার আবারো পাতানো নির্বাচনের পাঁয়তারা করছে এটা রুখে দিতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ