ঢাকা, সোমবার 13 August 2018, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৫, ১ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

গোসাইরহাটে ভেজাল ওষুধ বিক্রয়ের দায়ে তিন ব্যবসায়ীকে ১লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

শরীয়তপুর সংবাদদাতা: যৌন উত্তেজক নকল ভায়াগ্রা, ইডিগ্রা, কামাগ্রা, টারগেট, ট্যাবলেট সহ বিপুল পরিমানে ভারতের তৈরী নিমুসুলাইড, পেরিকটিনসহ নকল ভেজাল নিম্নমানের বিক্রয় নিষিদ্ধ ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ন ঔষধ রাখার দায়ে গোসাইরহাটে ৩ ঔষধ ব্যবসায়ীকে ১লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় উদ্ধারকৃত বিপুল পরিমান বিক্রয় নিষিদ্ধ ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ন ঔষধ আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শেখ জাবের আহমেদ।
র‌্যাব-৮ সুত্রে জানাগেছে, শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট থানার গোসাইরহাট বাজারে বিক্রয় নিষিদ্ধ ভেজাল ঔষধ বিক্রি করা হচ্ছে মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে র‌্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এর নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল শরীয়তপুরের ড্রাগ সুপার নুরুল আলমের উপস্থিতিতে বিভিন্ন ঔষধের দোকানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অবৈধ ঔষধ ব্যবসায়ীরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাব সদস্যরা ঔষধের দোকান মালিক সঞ্জিত কুমার কর্মকার, রাজীব সরকার ও সুভাষ চন্দ্র সরকারকে আটক করেন। এ সময় আটককৃত ব্যবসায়ীদের পরিচালিত মেসার্স জননী মেডিকেল হল, জনকল্যাণ মেডিকেল হল এবং সেবা মেডিকেল হলে বিপুল পরিমান বিক্রয় নিষিদ্ধ ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ন ঔষধ উদ্ধার করেন র‌্যাবের অভিযানিক দল। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ড্রাগ আইন ১৯৪০ এর ১৮ ও ২৭ ধারার অপরাধে আটককৃত ৩ ব্যবসায়ীকে ১লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করে আটককৃত ব্যবসায়ীদের ছেড়ে দেয়া হয়। উদ্ধারকৃত ঔষধ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এর উপস্থিতিতে এবং জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। ইতিপূর্বে ২০১৩ সালে মেসার্স জননী মেডিকেল হল, প্রোঃ সঞ্জীব কুমার কর্মকারের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঔষধ বিক্রয়ের দায়ে মামলা ও জরিমানা হয়েছিল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ