ঢাকা, সোমবার 13 August 2018, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৫, ১ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শার্শা ও বেনাপোলের গরুর খামারে ৪০ হাজার গরু মজুদ রয়েছে

মসিয়ার রহমান কাজল, (বেনাপোল): কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বেনাপোলের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে গরু আসা প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। তবে গরু আনতে বিজিবি এখন আর কাউকে সীমান্তে টপকে ভারতে যেতে দিচ্ছে না। যাও কিছু গরু আসছে তাও আবার ভারতীয়রাই সীমান্তের জিরো পয়েন্টে এসে দিয়ে যাচ্ছে।
বেনাপোলের আশপাশের বিভিন্ন সীমান্তের বেশিরভাগ স্থান জুড়ে কাঁটাতারের বেড়া। তবে যেসব স্থানে বেড়া নেই সেই পথে চুরি করে কিছু গরু আসছে। আর যে পথে কাঁটাতারের বেড়া সেখানে নেয়া হয় ভিন্ন কৌশল। গরু-ছাগল মাঠে চরানোর নাম করে গেট দিয়েই পার করে দেয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে অবৈধ পথে গরু আনার জন্য বেনাপোলের পুটখালী, অগ্রভুলোট, দৌলতপুর ও গোগা এই চারটি গরু খাটালে বর্তমানে সামান্য কিছু গরু আসছে।  নাভারন গরু করিডোর অফিস থেকে ভ্যাট বাবদ ৫০০ টাকা হারে আদায় করা হচ্ছে। 
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশী জাতের গরু পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন যশোরের শার্শা ও বেনাপোলের খামারিরা। ইতিমধ্যে এ অঞ্চলের অধিকাংশ খামারে দেশী ও সম্পূর্ণ নিরাপদ পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারতীয় গরু আমদানি করা না হলেও কোরবানির ঈদে এর কোন প্রভাব পড়বে না।
শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ জয়দেব কুমার সিংহ জানান, শার্শা উপজেলায় ১১ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ছোট বড় মিলিয়ে এক হাজারের ও বেশী খামার রয়েছে।কোরবানির ঈদ উপলক্ষে গরু ও ছাগলের চাহিদা পূরণ করেও অতিরিক্ত থাকবে।যে কারণে এবছর কোরবানির ঈদে পশুর কোনো সঙ্কট হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ