ঢাকা, মঙ্গলবার 14 August 2018, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫, ২ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শেষ পর্যন্ত পদ্মাগর্ভেই তলিয়ে যাচ্ছে বাঘার হাইস্কুল ভবনটি

রাজশাহী : পদ্মাগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে বাঘার চক রাজাপুর হাইস্কুল ভবন -সংগ্রাম

রাজশাহী অফিস : রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চরাঞ্চলের একমাত্র স্কুলের ভবনটি রক্ষা করা গেলো না। নদী ভাঙনের শিকার হয়ে পদ্মার গর্ভে তলিয়ে যেতে বসেছে ‘চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়’ ভবন। শনিবার দিবাগত রাতে স্কুলটির একটি পাকা ভবন ভেঙে পদ্মার পানিতে তলিয়ে যায়। গত কয়েক দিন আগে থেকেই একটু একটু করে ভেঙে নদীতে নামছিল ভবনটি।

বাঘা উপজেলায় পদ্মা নদীর ওপারে স্কুলটির অবস্থান। এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৩৫ জন। স্কুলটি ভেঙে পড়ায় লেখাপড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি ঘোষণা করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এর আগে ২০১২ সালে ভাঙনের কবলে পড়ায় নদীপাড় থেকে কিছুটা দূরে সরিয়ে নেয়া হয় স্কুলটি। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তর ৭৮ লাখ টাকা ব্যয়ে স্কুলের পাকা ভবন নির্মাণ করে। এরও আগে ১৯৯৮ সালে একবার ভাঙনের কবলে পড়েছিল স্কুলটি। এবারও ভাঙনের কবলে পড়ে পদ্মায় বিলীন হয়ে গেল স্কুলটি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুস সাত্তার বলেন, গত ১৪ বছরে দু’বার ভাঙনের কবলে পড়ে চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও চকরাজাপুর বাজার। তবে এবার আর ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পেলো না স্কুলটি। তাই অনির্দিষ্টকালের জন্য স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল আযম জানান, গত তিন দশকে ভাঙনের কবলে পড়ে এটিসহ দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, রাস্তা-ঘাটসহ কয়েক হাজার বিঘা ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বসত-ভিটা হারিয়ে সর্বহারা হয়েছে সহ¯্রাধিক পরিবার। তাই ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি। রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নাসিমা খাতুন সম্প্রতি ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকেও জানানো হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ