ঢাকা, মঙ্গলবার 14 August 2018, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫, ২ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

পাকিস্তানে ৩২৯ সংসদ সদস্যের শপথ গ্রহণ

সংগ্রাম ডেস্ক : সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া পাকিস্তানের সংসদের নিম্ন কক্ষের ৩২৯ জন সদস্য শপথ নিয়েছেন। গতকাল সোমবার তাদের শপথ গ্রহণের দিনই শুরু হয় পাকিস্তানের ১৫তম জাতীয় পরিষদের প্রথম অধিবেশন। ৩৪২ আসনের পাকিস্তানের সংসদের ইতিহাসে এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তর সম্ভব হলো। বাংলা ট্রিবিউন।
গত ২৫ জুলাই পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খানের পিটিআই পেয়েছে ১১৫টি আসন। পিএমএল-এন ৬৪টি ও পিপিপি ৪৩টি আসনে জয় পেয়েছে। পাকিস্তানে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে চাইলে একটি দলকে ১৩৭টি আসন পেতে হয়। সে সংখ্যা  ইমরানের দল ২২টি আসনে পিছিয়ে ছিল। এ অবস্থায় জোট সরকার গঠনের জন্য ছোট ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে দলটি। পরে তাদের সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গঠন করছে দলটি। আর দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন ইমরান খান। 
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, বিদায়ী স্পিকার আইয়াজ সাদিক নতুন সাংসদদের শপথ পড়ান। সোমবার সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী পদের অপেক্ষায় থাকা তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খান, পিএমএল-এন প্রেসিডেন্ট শাহবাজ শরিফ, পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি।
জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের সংসদের নতুন অধিবেশন শুরু হয়। এরপরই কুরআন তেলাওয়াতের পর স্পিকার নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন প্রক্রিয়া পড়ে শোনান। এরপর নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান বিদায়ী স্পিকার সাদিক। শপথের পর সংসদ সদস্যদের নামের আদ্যাক্ষর অনুযায়ী ক্রমিক নম্বর বরাদ্দ নিতে এক এক করে স্পিকারের ডেস্কে যান সবাই। আদ্যাক্ষর অনুযায়ী পিপিপিসহ সভাপতি আসিফ আলী জারদারি প্রথম ওই তালিকায় স্বাক্ষর করেন।
শপথ অনুষ্ঠান শেষে আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন স্পিকার। সেদিনই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পদ দুটিতে মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে মঙ্গলবার। একইদিনে শপথ নিয়েছেন সিন্ধু, খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশের প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যরা। পাঞ্জাবের সদস্যরা আগামী ১৫ আগস্ট শপথ নেবেন।
সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা নেওয়া হয়। অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিদের সংসদ এলাকায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ