ঢাকা, মঙ্গলবার 14 August 2018, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫, ২ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

জামিন হল না ৮ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর

স্টাফ রিপোর্টার : নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের মধ্যে পুলিশের কাজে বাধা দেয়া ও ভাঙচুরের অভিযোগে গ্রেফতার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আট শিক্ষার্থী জামিন চেয়ে আবারও ব্যর্থ হয়েছেন। গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম প্রণব কুমার ওই শিক্ষার্থীদের জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।
রাজধানীর বাড্ডা থানায় করা মামলায় আসামী রাশেদুল ইসলাম, মুসফিকুর রহমান, হাসান, জাহিদুল হক ও নুর মোহাম্মদ জামিনের আবেদন করেছিলেন। ভাটারা থানার করা মামলায় আসামীদের মধ্যে জামিন আবেদন করেছিলেন সাবের আহম্মেদ, শিহাব শাহরিয়ার ও সাখাওয়াত হোসেন।
রাকিবুল হাসানসহ আসামীদের আইনজীবীরা জামিনের শুনানিতে বলেন, এসব ছাত্ররা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নন। যে ঘটনায় মামলা, তার সঙ্গেও তাদের সম্পৃক্ততা নেই।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আবু হানিফ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক শিক্ষার্থীদের জামিন আবেদন নাকচ করেন।
এর আগে রোববার বাড্ডা থানার মামলায় আসামী তরিকুল ইসলাম, রেদোয়ান আহম্মেদ এবং ভাটারা থানার মামলায় আসামী মাসহাদ মুর্তজা আহাদ ও আজিজুল করিম অন্তরের জামিনের আবেদন নাকচ করেছিল আদালত। এই ১২ জনসহ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২২ ছাত্রকে গ্রেফতারের পর গত ৯ আগস্ট আদালতে হাজির করেছিল পুলিশ। সেদিন তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত। গ্রেফতার ২২ জন বেসরকারি ইস্ট ওয়েস্ট, নর্থ সাউথ, সাউথ ইস্ট ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের মধ্যে গত ৭ আগস্ট রামপুরা ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ বাঁধে। এরপর বাড্ডা ও ভাটারা থানায় করা দুটি মামলায় এই ২২ শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
বাড্ডা থানার মামলায় ১৪ ছাত্রকে আসামী করা হয়েছে। তারা হলেন- রিসালাতুল ফেরদৌস, রেদোয়ান আহমেদ, রাশেদুল ইসলাম, বায়েজিদ, মুশফিকুর রহমান, ইফতেখার আহম্মেদ, রেজা রিফাত আখলাক, এএইচএম খালিদ রেজা, তারিকুল ইসলাম, নূর মোহাম্মাদ, সীমান্ত সরকার, ইকতিদার হোসেন, জাহিদুল হক ও হাসান।
ভাটারা থানার মামলার আসামী ৮ ছাত্র হলেন আজিজুল করিম, মাসাদ মরতুজা বিন আহাদ, ফয়েজ আহম্মেদ আদনান, সাবের আহম্মেদ, মেহেদী হাসান, শিহাব শাহরিয়ার, সাখাওয়াত হোসেন ও আমিনুল এহসান। বিভিন্ন মহল থেকে এই শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবি জানানো হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ