ঢাকা, বুধবার 15 August 2018, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫, ৩ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বাংলাদেশের সব রিক্রুটিং এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দেবে মালয়েশিয়া

সংগ্রাম ডেস্ক: মালয়েশিয়া : শিগগিরই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদনপ্রাপ্ত সব রিক্রুটিং এজেন্সি। মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ আশ্বাস দিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে যে অনুমোদিত এজেন্টরা বিদেশে কর্মী পাঠায়, শিগগিরই তাদের সবাইকে মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মীদের আবেদনপত্র প্রক্রিয়াকরণের অনুমোদন দেয়া হবে। এর আগে মাত্র ১০টি এজেন্সির মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর অনুমোদন ছিল। মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী মনে করছেন, সবাইকে এই সুযোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে এজেন্সিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান সৃষ্টি হবে যা কর্মীদের জন্য ইতিবাচক হবে। শীর্ষ নিউজ।
মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে জিটুজি (গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট) পদ্ধতি চলমান থাকাকালে ২০১৬ সালে বেসরকারিভাবেও কর্মী নিয়োগের সুযোগ রেখে জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে কর্মী নিয়োগে দুই দেশের সরকার চুক্তি করে। তখন  আবেদনপত্রের (এসপিপিএ)মাধ্যমে মালয়েশিয়ার বিদেশি কর্মী নিয়োগের কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা সংস্থা কেবল বাংলাদেশের অনুমোদিত ১০টি এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দিতো। এতে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এক পর্যায়ে মালয়েশিয়া কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দেয়।
গত মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার পার্লামেন্ট ভবনে বিদেশী কর্মীদের ব্যবস্থাপনা শীর্ষক এক বৈঠকে মাহাথির জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশী কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। মালয়েশিয়াকে জানানো হয়েছে, মাত্র ১০ টি এজেন্সি একচেটিয়াভাবে কর্মী পাঠানোর সুযোগ পায় বলে মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু বাংলাদেশী কর্মীদের জনপ্রতি ২০,০০০ মালয়েশীয় রিঙ্গিত পর্যন্ত দিতে হয় এজেন্সিগুলোকে। আমরা সমস্ত এজেন্ট পর্যন্ত এটি বিস্তৃত করতে চাই যেন সেখানে প্রতিযোগিতা থাকে।
মাহাথির আরও বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশে বিদেশি কর্মীদের বিভিন্ন বিষয় দেখভালের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করতে চান তিনি। যে দেশ থেকেই কর্মী নিয়োগ দেওয়া হোক না কেন, সবাইকে ওই স্বাধীন কমিশনের একক ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে চান। মাহাথির জানান, একজন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা ওই কমিশনের নেতৃত্বে থাকবেন। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কর্মীদের নীতি ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়গুলোর দেখাশোনা করা হবে। শ্রমবাজার সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও বিশ্লেষণের প্রতিও নজর রাখা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ