ঢাকা, বুধবার 15 August 2018, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫, ৩ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত খামারিরা

নরসিংদী : একটি খামারে পরিচর্যা হচ্ছে গরু। কোরবানীর হাটে ওঠার অপেক্ষায়

নরসিংদী সংবাদদাতা : আর মাত্র ক'দিন বাদেই কোরবানির ঈদ। তাই নরসিংদীর খামারিরা পশু বিক্রি করতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
তাদের চাওয়া যেন কোরবানিতে দেশের বাইরে থেকে পশু আমদানি করা না হয়।
নরসিংদী জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান বলছেন, এ বছর নরসিংদীতে ২৬ হাজার ৩শত ৫৩টি পশু কোরবানীর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে ইতোমধ্যেই ১৬ হাজারের অধিক কোরবানী যোগ্য পশু খামিরারা বিক্রয় করেছে।
সব মিলয়ে এ বছর লেনদেন হবে কয়েক কোটি টাকার।
নরসিংদীতে ৩ হাজার ৫শত ৩৮জন ব্যক্তি পশু খামারে এখন রাত দিন ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা খামারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে পশু পালন করছেন। গরু মোটাতাজা করতে ঘাসের পাশাপাশি শুধু প্রাকৃতিক খাবারই খাওয়ানো হচ্ছে বলে তারা জানিয়েছেন।
খামারের এসব গরু দেশের প্রান্তিক এলাকা থেকে ৬ থেকে ৯ মাস আগে কিনে এনে তা বেশি দামে বিক্রির জন্য মোটাতাজা করছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
মনোহরদীর উপজেলার রামপুর গ্রামের ব্যক্তি উদ্যোক্তা জয়ন্ত বণিক বলেন, আমরা ছোট বাছুর খামার ও বাজার থেকে ক্রয় করে থাকি। এগুলোকে আমরা ন্যাচারাল খাবার খাওয়াই।
দেশিয় পদ্ধতিতে মোটাতাজাকরণ করায় এই অঞ্চলের গরুর চাহিদাও অনেক বেশি থাকে।
তবে কোরবানির আগে দেশের বাইরে থেকে পশু আমদানি করলে তারা ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে দাবি খামারিদের। অবৈধ পথে গরু আনা না হলে লাভবান হওয়ার আশা করছেন তারা। এবারের কোরবানিতে নরসিংদীতে পশুর যে চাহিদা আছে তার অনেকাংশ জেলার পশু দিয়েই পূরণ করা যাবে বলেও খামারিরা জানিয়েছেন।
ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার বন্ধ ও গরুর সুস্থতা রক্ষায় নিয়মিত মনিটরিংয়ের কথা জানিয়েছে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ। অসাধু গরু ব্যবসায়িরা কৃত্রিম উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণ করলেও দেশিয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন নরসিংদীর খামারিরা। এসব গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে দেশীয় খাবার খাইয়ে।  খামারিদের অভিযোগ, গত বছর বাজারে ভারতীয় গরু আসায় লোকসানের মুখে পড়েন তারা। তবে এ বছর কোরবানি ঈদে ভারত থেকে অবৈধ পথে গরু আসা বন্ধ থাকলে লাভবান হওয়ার আশা করছেন খামারিরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ